নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৪’ শেষ হয়েছে বছর তিনেক আগে! আজও দর্শক এই নতুন সিজনের জন্য অপেক্ষায় আছেন।
অমির বানানো আরেকটি কনটেন্ট ফিমেল-ও তুমুল জনপ্রিয়। এটির নতুন কিস্তির জন্যেও দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। কৌতুহল থেকে পরিচালক অমি দুদিন আগে তার ফ্যান পেজে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’ নাকি ‘ফিমেল ৫’ কোনটি দর্শক দেখতে চান জানতে চেয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন।
তার সেই পোস্টটি বঙ্গের পাশাপাশি অভিনেতা পলাশ, মারজুক রাসেল, চাষি আলম প্রত্যেকে নিজেদের আগ্রহের জায়গা থেকে শেয়ার করেছিলেন। দুটি কনটেন্ট নিয়ে দর্শকরা যে আগ্রহ দেখান, এতে করে নির্মাতা অমি নড়েচড়ে বসেন।
কারণ, একদিনে দেড় লক্ষাধিক মানুষ পোস্টগুলোতে কমেন্ট করেন। চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপে অসময়, একটি সন্দেহের গল্প, আপন, ভাইরাল গার্ল, ট্যাটুসহ বহু জনপ্রিয় নাটকের নির্মাতা অমি বলেন, আনবিলিভেবল রেসপন্স! আসলে পোস্টে লাইক দেয়া খুব সহজ কিন্তু কমেন্টে নিজেদের মতামত দেয়া কঠিন।
দেশের কয়েকটি জেলা থেকে ঢাকা শহরে আগত একদম ব্যাচেলরের সুখ-দুঃখ, ফান-কমেডি এবং ভাড়া বাড়িতে বাড়িওয়ালার সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে নির্মিত ব্যাচেলর পয়েন্ট প্রথম সিজন থেকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এটিই একমাত্র সিরিয়াল যেটি চারটি সিজনই তুমুল জনপ্রিয়।
অন্যদিকে, ঢাকার নাখালপাড়ার ব্যাটারির গলির নানা কিসিমের মানুষদের গল্প নিয়ে নির্মিত ফিকশন ফিমেল-ও প্রতি কিস্তিতে আলোচিত হয়।
অমি বলেন, ‘দর্শকদের মন্তব্যগুলো দেখে বিস্মিত হয়েছি। ভেবেছিলাম ১০/২০ হাজার মানুষ মন্তব্য করবেন, কিন্তু হিসেব করে দেখলাম ১ লাখ ৬৫ হাজার কমেন্টস। এরপর আর হিসেব করা হয়নি। আমি এতটা আশা করিনি। কারণ, এটা হিউজ রেসপন্স। যারা কনটেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে তারা দর্শকদের ৫/১০ হাজার কমেন্ট পেলেই ‘মোর দ্যান হ্যাপি’ হয়! সেখানে দেড় লক্ষাধিক মন্তব্য আমাদের পুরো টিমকে অবাক করে দিয়েছে।”
হাসতে হাসতে অমি বলেন, দর্শকের এতো প্রত্যাশা আমাকে নার্ভাস করে দিয়েছে। কারণ, মানুষের এই প্রত্যাশা আমাকে পূরণের জন্য কাজ করতে হবে। আসলে আমার কাছে মানুষের প্রত্যাশা থাকে বলে কম কাজ করি। কারণ, আমাকে বেস্ট চেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হয়। সময় লাগে। ইতোমধ্যে মানুষের কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা পূরণে আমি ‘ফাইভ’ নিয়ে কাজ করছি। যখনই প্রস্তুতি শেষ হবে কোন ফাইভ সেটা আমি সবাই জানাবো।








