জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওজিএসবি)। সংস্থাটির সভাপতি অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম বলেছেন সবাই মিলে কাজ করলে জরায়ু মুখের ক্যান্সার অন্তত ৯৮% কমিয়ে ফেলতে পারব।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকলজিক্যাল সোসাইটি অফ বাংলাদেশ (ওজিএসবি) আয়োজিত ৩১ তম আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের শেষদিনে জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ বিষয়ক বিশেষ একটি অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে ওজিএসবির সভাপতি অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম এ কথা বলেন।
তিনি বলেন: ভ্যাকসিন নিয়ে সমাজে যে সব ভুল ধারণা রয়েছে সেগুলো ভাঙতে আমাদের উদ্যোগী হতে হবে। তৃণমূলের মেয়েদেরকে ভ্যাকসিনের উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের বুঝাতে হবে, এবং তাদের মাঝে আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে হবে। জরায়ু মুখের ক্যান্সার হলে আমাদের মায়েদের ও মেয়েদের কত কষ্ট হরতে হয় সেটা আমাদের চিকিৎকদের চেয়ে কেউ ভালো জানে না। আমাদের তাই প্রতিটি চিকিৎসককে সংকল্পবদ্ধ হতে হবে। জরায়ু মুখের ক্যান্সার নির্মূলে ভ্যাকসিন এসেছে। সবার জন্য এই ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে ওজিএসবি সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনগুলোর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করবে।আমরা সবাই মিলে কাজ করলে জরায়ু মুখের ক্যান্সার অন্তত ৯৮% কমিয়ে ফেলতে পারব। এ জন্য আমাদের চিকিৎসকদের বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন: জরায়ু মুখের ক্যান্সার নির্মূলে তাদের কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এই গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন পরিচালনা করেন ডাক্তার নাজিয়া আহমেদ এবং ডাক্তার কাশেফা খাতুন। উল্লেখ্য যে, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস ফার্মা বেশ আগে প্যাপিলোভাক্স নামে জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে ভ্যাকসিন বাজারে এনেছে। সরকারি পর্যায়ে সাধারণ নারীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়েও সরকার অনেকদূর এগিয়ে গেছে।
গুরুত্বপূর্ণ সেশনে প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিএসএমএমইউ-এর প্রফেসর ডাক্তার জান্নাতুল ফেরদৌস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিম লিডার (ইমুনাইজেশন ও ভ্যাকসিন ডেভেলপমেন্ট) ইউনিসেফের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. রিয়াদ মাহমুদ, আইসিডিডিআরবির ডা. তাজুল এ বারি, ইপিআই-এর ডা. তানভীর হোসেন সহ বিভিন্ন সংগঠনের বিশেষজ্ঞরা।








