ওয়ানডে বিশ্বকাপ মঞ্চে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের দারুণ এক অর্জন রয়েছে। ২০০৭ সালে টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে ৫ উইকেটের দুর্দান্ত এক জয়ের নজির গড়ে লাল-সবুজের দল। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তির অপেক্ষায় সাকিব আল হাসানের দল। স্বাগতিকদের মুখোমুখি হওয়ার আগে দেখে নেয়া যাক পরিসংখ্যান কী বলছে।
পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের মধ্য দিয়ে ভেন্যুটিতে প্রথমবার হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ম্যাচ। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে খেলাটি শুরু হবে।
২০১৯ বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ-ভারত ওয়ানডে ম্যাচের জয়-পরাজয়ের হিসাবে অবশ্য এগিয়ে টিম টাইগার্স। যদিও এ সময়ে ভেতর দল দুটি কেবল চারটি ম্যাচ খেলেছে। যার ৩টিতেই টাইগাররা জয় পায়। ভারত একটিতে, সেটিও ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে বাংলাদেশ সিরিজ জেতার পর।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে অবশ্য জয়ের পাল্লাটা ভারতের দিকেই ভারি। ৪০ ওয়ানডেতে ভারতের ৩১ জয়ের বিপরীতে বাংলাদেশ জিতেছে ৮টিতে, ফলাফল হয়নি এক ম্যাচে। সাকিব-লিটনদের ৮ জয়ের ৬টিই ঘরের মাটিতে এবং অন্য দুটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। ভারতের মাটিতে এখনো একদিনের ক্রিকেটে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা কোনো জয় পায়নি।
ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ও ভারতের সাক্ষাৎ হয়েছে চারবার। এখানেও লড়াইয়ের ফল কথা বলছে ভারতের পক্ষে। দুদলের চার দেখায় ওয়েস্ট ইন্ডিজে হওয়া ২০০৭ সালের বিশ্বকাপেই শুধু জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে তিন দেখার কোনোটিতে তারা জয় পায়নি।
২০০৭ বিশ্বকাপে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, আব্দুর রাজ্জাক ও মোহাম্মদ রফিকের বোলিং তোপে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় রাহুল দ্রাবিড়ের দল। সেই ম্যাচে তামিম-মুশফিক-সাকিবের তিন ফিফটিতে সহজ জয় পায় বাংলাদেশ। এবার ভারতের কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের দলের বিপক্ষে সাকিব-মুশফিক খেললেও স্কোয়াডে নেই তামিম। বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ২৮৬ রান, ভারতের ৩৭০।







