প্রথম চার ম্যাচে ভারতের একাদশেই ছিলেন না মোহাম্মাদ শামি। চোটের কারণে টুর্নামেন্টে থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ছিটকে যাওয়ায় তার কপাল খোলে। দুর্দান্ত ধারালো বোলিংয়ে টিম ইন্ডিয়ার এ পেসার ৬ ম্যাচ খেলেই আসরে মাত্র ৯.১৩ গড়ে সর্বাধিক ২৩ উইকেটের মালিক হয়েছেন।
অন্যরা যেখানে ৭০, ৮০ বা ৯০ ওভার বল করার সুযোগ পেয়েছেন,সেখানে শামি বল করেছেন ৪১.৫ ওভার, ইকোনমি রেট ৫.০১। তিনবার পেয়েছেন পাঁচ কিংবা তার অধিক উইকেট। সেরা বোলিং ফিগার ৫৭ রানে ৭ উইকেট, সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।
টিম ইন্ডিয়ার পেসারের প্রশংসাই করলেন প্যাট কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক বলেন, ‘আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে তিনি অজিদের চ্যালেঞ্জ জানাবেন।’
শনিবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে কামিন্সের ভাষ্য, ‘আমি বলতে চাই ভারত সব বিভাগেই বেশ ভালো অবস্থায় আছে। আপনি এমন একজনকে জানেন, যিনি টুর্নামেন্টের শুরুতে খেলতে পারেননি। তিনি সত্যিই খুব ভালো করেছেন। মোহাম্মদ শামি ডানহাতি ও বাঁহাতি ব্যাটারদের বিপক্ষে ক্লাস বোলার। তিনি একজন বড় মাপের বোলার হতে চলেছেন।’
৩৩ বর্ষী শামি পাথপ্রদীপের আলোয় এলেও ভারতের বাকি বোলারদেরকেও বেশ সমীহ করছেন কামিন্স। তার মতে, কুলদ্বীপ যাদব এবং রবীন্দ্র জাদেজাকে অবমূল্যায়ন করা মোটেও উচিৎ হবে না।
‘বোলিংয়ে ওরা অনেক ভালো দল বলেই মনে করি। তাদের পাঁচজন আছে, যারা প্রতি ম্যাচে প্রায় দশ ওভার বোলিং করে। দলটির স্পিনাররা মধ্যে কুলদ্বীপ এবং জাদেজা ভালোই করেছে। স্পবসময়ের মতো তারা কঠিন পরীক্ষাই নিতে যাচ্ছে।’








