ব্যাটে-বলে দারুণ সময় পার করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এশিয়া কাপেও ব্যাট হাতে দেখিয়েছেন ঝলক। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে ভালো করার পর আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফিফটি করেছেন ডানহাতি অলরাউন্ডার। বল হাতে নিয়েছেন তিন উইকেট। অলরাউন্ড নৈপুন্যে ম্যাচসেরা হওয়ার পর এবার টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন মিরাজ।
২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন মিরাজ। ধর্মশালায় আফগানদের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন মিরাজ। টাইগার অলরাউন্ডারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ‘বিশ্বকাপে সেরা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন কি না।’ জবাবে নিজের স্বপ্নের কথা জানালেন মিরাজ।
‘আমি যদি বড় টুর্নামেন্টে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করতে পারি, সেটা আমার জন্য অনেক বড় অর্জন হবে এবং দলের জন্যও হবে। অবশ্যই সে (টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার স্বপ্ন সবার থাকে।’
ব্যাটিংয়ে নিয়মিত পজিশন পরিবর্তন হচ্ছে মিরাজের। লম্বা সময় ধরে নিচের দিকে খেলা মিরাজ এখন টপঅর্ডারে। বিষয়টি নিয়ে মিরাজ বলেছেন, ‘আমরা ক্রিকেট খেলোয়াড়, মানিয়ে নেয়াটাই আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শুধু আমি না, আমাদের সব ক্রিকেটারই এরকম একটা পরিস্থিতি পার করে এসেছে। বড় কিছু অর্জন করতে গেলে মানিয়ে নেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই আমি মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছি।’
‘সবসময় আট নম্বরে ব্যাটিং করেছি। আমি যে ব্যাপারটি চিন্তা করেছি, সবসময় তো সুযোগ পাওয়া যায় না। অনেক বড় রান করা এবং এখানে অনেক সময় বল কম থাকে। আমি যেন সুযোগ পাই, আমি যেন শতভাগ দিতে পারি, যেকোনো পজিশনেই হোক না কেন। এভাবে নিজেকে মানসিকভাবে অনেক প্রস্তুত করেছি এবং এভাবে চিন্তা করেছি, কীভাবে কী করা যায়।’
‘বিভিন্ন পজিশনে বিভিন্ন পরিস্থিতি থাকে। আমি বেশি কিছু নিয়ে চিন্তা করার চেষ্টা করি না। আমি চিন্তা করি , যেহেতু আমাকে সুযোগ দিয়েছে, আমি চেষ্টা করি সেটি কাজে লাগানোর জন্য। আট নম্বরের চেয়ে উপরে যেকোনো পজিশনে ব্যাটিং করা ভালো। আমি সেই জিনিসটি বিশ্বাস করি। আমি ব্যাটিং করতে পারি। দিনশেষে দলও সহায়তা পাবে, যদি আমি ভালো খেলতে পারি।’
‘পজিশন পরিবর্তনে অনেক সময় সমস্যা হয়। সেটা বেশি মাথায় নিই না। চিন্তা করি যেখানেই দেয়া হয় না কেন, দলের প্রয়োজন আমাকে পারফর্ম করতে হবে। আমরা সবাই দলের জন্যই খেলি। আজকে ম্যাচ জিতেছি, দলের সবাই খুশি। আমি মনে করি, বাংলাদেশের মানুষেরা সবাই খুশি। এই জিনিসটাই চেষ্টা করি, দলের প্রয়োজনে যে কোনো পজিশনে ব্যাটিং করি।’







