‘উইকেটকিপিং করাটা মাঝে মধ্যে কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু আমি খেলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থাকাটা উপভোগ করি। বোলাররা ডিআরএস আবেদনের সময় আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। কিন্তু তারা আমাকে যথেষ্ট কৃতিত্ব দেয় না।’
ডিআরএস আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও নিজ দলের বোলারদের কাছে কৃতিত্ব না পাওয়ার নিয়ে এ কথাগুলোই বলেছেন লোকেশ রাহুল। স্টাম্পের পিছনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিআরএস নিয়ে ভারতের উইকেটরক্ষক ব্যাটারের বিবেচনা বড় পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে দুশমন্ত চামিরার ব্যাটে অতি সামান্য ছোঁয়া লেগে বল রাহুলের গ্লাভসবন্দি হয়। কোনো ফিল্ডার আবেদন না করলেও টিন ইন্ডিয়ার উইকেটরক্ষক অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে ডিআরএস নিতে রাজি করেছিলেন। তাতে রানের খাতা না খুলেই চামিরা সাজঘরে ফেরেন।
ব্যাট হাতেও নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করছেন রাহুল। ৩১ বর্ষী ক্রিকেটার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৬২ বলে শতক তুলে হয়েছেন ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক।
লিগপর্বে ডাচ বোলারদের সামনে ৬৪ বলে ১০২ রানের ইনিংস খেলা ডানহাতি ব্যাটার বলেন, ‘পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করে আত্মবিশ্বাস পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। শেষের দিকে ছক্কা মারার আত্মবিশ্বাস পাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’








