বিশ্বকাপে নিজের প্রথম সেঞ্চুরির পথে ছিলেন শুভমন গিল। ২৩তম ওভারের চতুর্থ বলে লংঅন অঞ্চলে বল ঠেলে দিয়ে এক রান নেন কোহলি। এ সময় দৌড়ে রান নিতে গিয়ে পায়ে চোট পেয়ে গিল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে গিল বাইরে যান। আট চার ও তিন ছক্কায় ৬৫ বলে ৭৯ রান করে ২৪বর্ষী ব্যাটার ড্রেসিং রুমে ফেরেন। পরে ক্রিজে নেমে এক বল খেলে ১ রান যোগ করে ৬৬ বলে ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন গিল।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত কারণে তিনি টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি তরুণ এ ক্রিকেটার। ডেঙ্গু পরবর্তী প্রভাবে পায়ের পেশিতে টান লাগার কারণেই তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের পর ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে নিজের চোট নিয়ে এ কথাই জানান টিম ইন্ডিয়ার ওপেনার।
‘ডেঙ্গু আমার পেশির ভর কমিয়ে দিয়েছে। আমি কিছুটা মাংশপেশিতে ভর দেয়ার শক্তি হারিয়ে ফেলেছি। ডেঙ্গুর আগে আমার যে সামর্থ্য ছিল, তা কিছুটা কমে গেছে।’
বিরাট কোহলি এবং শ্রেয়াস আয়ারের সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ৩৯৭ রান করে ভারত। পেশির টানে গিল ইনিংস টেনে নিতে না পারলেও সেমিফাইনাল জয়ে অবদান রাখতে পারায় তিনি সন্তুষ্ট।
‘আমার পেশিতে টান না পড়লে হয়তো আমি সেঞ্চুরি করতাম। তবে সেঞ্চুরি করি কিংবা না করি, আমরা যে স্কোরে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলাম সেখানে গিয়েছি। ২৫-৩০ ওভারের মধ্যে অনেক রান তোলার দরকার ছিল। আমরা সেটা করেছি। তাই আমি সেঞ্চুরি করি কিংবা না করি, তাতে কিছু আসে যায় না।’
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনন্য ইতিহাস গড়েছেন বিরাট কোহলি। সময়ের সেরা ব্যাটার ওয়ানডেতে প্রথম হিসেবে ৫০তম সেঞ্চুরির দিনে ভেঙেছেন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের (৪৯ শতক) রেকর্ড। সাফল্যের ক্ষুধাই কোহলিকে আজকের অবস্থানে এনেছে বলে দাবি করেন দিল।
‘আপনি জানেন, তিনি যখনই পার্কে আসেন, বিশেষ কিছু করেন। গত ১০-১৫ বছর ধরে তিনি ধারাবাহিকভাবে রান করতে যেভাবে সক্ষম হয়েছেন, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি যখন মাঠে যান, তখন তার ভেতর সফল হওয়ার ক্ষুধা থাকে। দারুণ গতিতে খেলেন, যেটি আমাকে অনুপ্রাণিত করে।’








