নেদারল্যান্ডসের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট হাতে দারুণ করেছে সাউথ আফ্রিকা। হেনরিখ ক্লাসেনের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ইংলিশদের সামনে ৩৯৯ রানের পাহাড় গড়েছে প্রোটিয়ারা।
শনিবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রোটিয়াদের ব্যাটে পাঠান ইংল্যান্ড অধিনায়ক জশ বাটলার। আগে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেটে ৩৯৯ রানের সংগ্রহ পায় সাউথ আফ্রিকা।
শেষ ১০ ওভারে ইংলিশ বোলারদের রীতিমত তুলোধুনো করেছেন হেনরিখ ক্লাসেন ও মার্কো জানসেন। চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে তুলেছেন ১৪৩ রান। আর শেষ পাঁচ ওভারে তুলেছেন ৮৪ রান। যদিও শেষ ওভারে দুই ব্যাটারকে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা।
ইনিংসের শুরুতেই কুইন্টন ডি ককের উইকেট হারালেও পরে দারুণ করেছেন ব্যাটাররা। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা অসুস্থতার কারণে ছিলেন না এই ম্যাচে। তার বদলি হিসেবে নামা রেজা হেনড্রিক্স খেলেছেন দুর্দান্ত। রসি ফন ডার ডুসেনকে নিয়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। নয়টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৫ বলে ৮৫ রান করে ফেরেন। আটটি চারে ৬১ বলে ৬০ রান করেন ডুসেন।
ইংলিশ বোলারদের বিপক্ষে ডি কক ও ডেভিড মিলার প্রোটিয়া ব্যাটারদের প্রায়ই প্রত্যেকেই ব্যাট হাতে দারুণ করেছেন। ৪৪ বলে ৪২ রান করে মার্করাম ফেরার পর দ্রুতই ফিরে যান মিলার। নামের সঙ্গে যোগ করেন মাত্র ৫ রান। এরপর মার্কো জানসেনকে নিয়ে রানের পাহাড় গড়েন ক্লাসেন।
ইংলিশ বোলারদের বিরুদ্ধে তান্ডব চালিয়ে ৬১ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। বিশ্বকাপের দ্রুততম সেঞ্চুরির মাঝে যা স্থান করে নিয়েছে ছয়ে। বিশ্বকাপে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডে সবার শীর্ষে আছেন ক্লাসেনের সতীর্থ এইডেন মার্করাম। চলতি আসরে দিল্লিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মার্করাম।
ক্লাসেনের পাশাপাশি ঝড় তুলেছেন জানসেনও। ৩৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ ওভারের প্রথম বলে ফিরে যান ক্লাসেন। ১২টি চার ও চারটি ছক্কায় ৬৭ বলে ১০৯ রান করেন তিনি।
ক্লাসেন ফেরার পর ফিরে যান জেরাল্ড কোয়েটজি। ৩ রান করেন তিনি। আর ৪২ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন জানসেন। তান্ডব চালানো ইনিংসটিতে ছিল তিনটি চার ও ছয়টি ছক্কার মার।
ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন রিচি টপলে। গাস অ্যাটকিনসন ও আদিল রশিদ নেন দুটি করে উইকেট।








