প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বল হাতে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। ৩৬ রানে ২ উইকেট তুলে নেয় টাইগার বোলাররা। অধিনায়ক এইডেন মার্করামের সঙ্গে জুটি গড়ে সেই চাপ সামাল দিয়ে সেঞ্চুরিও পূর্ণ করেছেন কুইন্টন ডি কক। ফিফটি পূর্ণ করে সাকিবের শিকার হয়ে ফিরেছেন মার্করাম। দুই ব্যাটারের শতাধিক রানের জুটি ভাঙার পরও বড় সংগ্রহের পথে ছুটছে সাউথ আফ্রিকা।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা প্রোটিয়াদের সংগ্রহ ৩৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৬ রান। ডি কক ১০১ ও হেইনরিখ ক্লাসেন ১৯ রানে ক্রিজে আছেন।
মোস্তাফিজুর রহমানকে দিয়ে বোলিং আক্রমণের সূচনা করেন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় ওভারেই আসে স্পিনার। মেহেদী হাসান মিরাজ হাতে তুলে নেন বল। ওই ওভারের পঞ্চম বলে স্লিপে সহজ ক্যাচ ফেলে দেন তানজিদ হাসান তামিম। রানের খাতা খোলার আগেই রেজা হেনড্রিক্স জীবন পান।
পঞ্চম ওভারেই ছন্দে থাকা মোস্তাফিজকে সরিয়ে শরিফুল ইসলামকে আক্রমণে আনেন দ্রুত উইকেট পাওয়ার সন্ধানে থাকা সাকিব। প্রথম ওভারে ৭ রান দিলেও দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই সাফল্য পান শরিফুল। হেনড্রিক্সকে বোল্ড করে অদ্ভুত ভঙ্গিতে নেচে উদযাপনও করে সকলের নজর কাড়েন।
অষ্টম ওভারের প্রথম বলে এক রান করা ডুসেনকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে সাজঘরে পাঠান। দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে সাউথ আফ্রিকা চাপে পড়ে। এরপর হাল ধরেন ডি কক ও মার্করাম। ১৩১ রানের জুটি গড়েন দুই ব্যাটার। ৩১তম ওভারের চতুর্থ বলে মার্করামকে ফেরান সাকিব। লংঅনে লিটনের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে সাতটি চারে ৬৯ বলে ৬০ রান করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক।
৩৫তম ওভারের প্রথম বলে বিশ্বকাপের চলতি আসরে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডি কক। এর আগে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন প্রোটিয়া ওপেনার। ছয়টি চার ও চারটি ছক্কায় ১০১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডি কক।








