আন্তর্জাতিক

স্ট্রেচারেই কর্তব্যরত নার্সের শ্লীলতাহানি

নারীরা মানবাধিকার ও নিরাপত্তার জন্য রাস্তায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

নারীরা মানবাধিকার ও নিরাপত্তার দাবিতে রাস্তায় প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

বীরভূমের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্তব্যরত নার্সের শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে রোগীর বিরুদ্ধে। অসুস্থ যুবককে স্ট্রেচারে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে গেলে নার্সের শরীর স্পর্শ করেন ওই যুবক।

রোববার ১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ সকালে স্থানীয় থানার সামনে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে চিকিৎসকরা।

অভিযোগ, নার্স অসুস্থ যুবককে চিকিৎসা দেয়ার সময় শ্লীলতাহানি করে। রোগী নার্সের শরীর স্পর্শ করেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর রাতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বীরভূমের ইলামবাজারের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ডাকে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তার উপযুক্ত শাস্তি এবং হাসপাতালে নিরাপত্তার দাবিতে আজ রোববার সকালে স্থানীয় থানার সামনে বিক্ষোভ করেন চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নিরাপত্তার দাবি জানান তারা।

জানা যায়, শনিবার রাতে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ইলামবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন এক যুবক। সাথে তার পরিবারের লোকজনও ছিলেন। জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। চিকিৎসকের পরামর্শে নার্স গিয়েছিলেন যুবকের স্যালাইনের ব্যবস্থা করতে। সেই সময়েই শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। রাতেই পুলিশে অভিযোগ করেন কর্তব্যরত ওই নার্স।

অভিযোগকারী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, রাতে একজন রোগী এসেছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমি তাকে স্যালাইন দিতে গিয়েছিলাম। তার হাতে চ্যানেল করার সময় রোগী আমার গায়ে হাত দেন। গালিগালাজও করছিলেন। আমি এখানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। একজন রোগী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে কীভাবে এই সাহস পান? তার বাড়ির লোকজনও সামনে ছিলেন। সকলে দেখেছেন কী ঘটেছে।

রাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নিরাপত্তার বিষয়ে নার্স বলেন, এখানে সকাল বা রাত, কখনো কোনো পুলিশ থাকে না। তবে এই ঘটনার পরে আমরা থানায় খবর দেয়ার পর পুলিশ এসেছিল। আমি লিখিত অভিযোগ করেছি। রোগীকে পুলিশ নিয়ে গেছে।

ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, রোগীকে স্যালাইন দেওয়ার সময় একজন সহকারীকে সামনে থাকতে হয়। আমি তাই নার্সের সাথে ছিলাম। আমার চোখের সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে। দিদি স্যালাইনের জন্য রোগীর হাতে চ্যানেল করতে গিয়েছিলেন। রোগী তখন তার শ্লীলতাহানি করে। আমরা সকলে দেখেছি। দিদি কাঁদতে কাঁদতে সেখান থেকে সরে যান। আমরা সকলে ঘটনার প্রতিবাদ করি। পুলিশকেও জানানোর সঙ্গে সঙ্গে তারা আসে। তবে রাতে নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বিষয়:নার্স ভারত শ্লীলতাহানি

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…