বিএনপি সরকারের আমলে চাকরিচ্যুত জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) কর্মকর্তা বখতিয়ার আহমেদ খান সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে তার চাকরির সকল সুযোগ সুবিধা ফিরে পাবেন।
এ সংক্রান্ত এক রিভিউ আবেদন শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার বখতিয়ারের পক্ষে রায় দেন।
আদালতে বখতিয়ার আহমেদ খানের পক্ষে ছিলে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আখতার ইমাম। সাথে ছিলেন তার মেয়ে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও ছেলে ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম। আদালতে রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রায়ের পর বখতিয়ার আহমেদ খান বলেন,’সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি প্রতি আমার অবিচল আস্থা ছিল। ৩০ বছরের আইনী লড়াইয়ের পর আজ আমার পক্ষে চূড়ান্ত রায় এলো। আমার চাকরি আর পাব না। তবে প্রাপ্য আর্থিক সুযোগ সুবিধা পাব। সেই সাথে আজকের রায়ে মাধ্যমে আমার পারিবারিক ও সামাজিকভাবে মর্যাদা পুনরুদ্ধার হবে।’

বখতিয়ার আহমেদ খান জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা এর কারিগরী শাখায় উপ-পরিচালক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। বিএনপি সরকারের আমলে ১৯৯২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি চাকরিচ্যুত হন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ট্রাইবুন্যাল মামলা করেলে আদালত চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্তকে অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করেন এবং চাকুরিতে পুনর্বহালের আদেশ দেন।
এই আদেশের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে সরকার আপিল করলে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইবুন্যাল প্রশাসনিক ট্রাইবুন্যালের আদেশই বহাল রাখেন। এর ৮ বছর পর সরকার প্রশাসনিক আপিল ট্রাইবুন্যালের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন। তবে ২০২০ সালে টাইম বারের যুক্তিতে লিভ টু আপিল খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ২০২১ সালে খারিজ আদেশটি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়। সে আবেদনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।







