ভারতজুড়ে আবারও করোনার হানা। এরই মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এটি উদ্বেগজনক নয়, চিন্তারও কিছু নেই।
বুধবার (২৮ মে) ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, চীন ও হংকংয়ের পর ভারতেও করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন কেরালায়, সেখানে ৪৩০ জনের করোনা হয়েছে। মহারাষ্ট্রে হয়েছে ২১০ জনের, দিল্লিতে ১০২ জনের। গুজরাট, কর্ণাটক, হরিয়ানা, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানেও মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন।
এর আগে গত সোমবার মহারাষ্ট্রের থানেতে কল্যান-ডম্বিভলি পুরসভায় একজন নারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তার চিকিৎসা চলছিল। এছাড়া কর্ণাটক, রাজস্থান, কেরালা মিলিয়ে আরো ছয়জন মারা গেছেন। তবে যারা মারা গেছেন, তাদের করোনা ছাড়াও অন্য রোগ ছিল।
করোনা ভাইরাসের নতুন প্রজাতি
গবেষকরা জানিয়েছেন, এখন যে করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে তা এনবি ওয়ান ডটএইট ডট ওয়ান প্রজাতির। এই ভাইরাস আগের ভাইরাসের তুলনায় আরো দ্রুত ছড়াতে পারে। এছাড়া এনএফ ডট সেভেনও ছড়াচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এবার করোনার যে উপসর্গ, তা তীব্র নয়। জ্বর হচ্ছে, গলায় ব্যথা হচ্ছে, গলা খারাপ থাকছে, পেশীতে ব্যথা হচ্ছে, হালকা মাথাও ধরছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উপসর্গ তিন-চার দিন থাকলে করোনা পরীক্ষা করে নেয়া উচিত। ভিড়ের জায়গায় গেলে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া উচিত।








