নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিটের ছেলে মারিয়াস বর্গ হোইবির সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে অসলোর জেলা আদালতে বিচার শুরু হচ্ছে। ২৯ বছরের হোইবি নারীর ওপর সহিংসতার ঘটনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার আড়াই বছর পরে আদালতে হাজির হচ্ছে। তাকে চার সপ্তাহ রিমান্ডে রাখা হয়েছে এবং তার বিচার শুরু করছেন কারাগার থেকে।
হোইবির বিরুদ্ধে ৩৮টি অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, শারীরিক আঘাত, অসভ্য আচরণ এবং গাঁজার মজুদসহ অন্যান্য অপরাধ জড়িত। তিনি কিছু ছোট অপরাধ স্বীকার করেছেন, তবে প্রধান যৌন ও সহিংসতা সংক্রান্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আদালতে কঠোর নিরাপত্তা বিধি আরোপ করা হয়েছে, মারিয়াসের ছবি তোলা ও আক্রান্তদের পরিচয় প্রকাশ নিষিদ্ধ করেছে। রাজপরিবার বিচারসভায় অংশ নেবে না।
প্রিন্সেস মেটে-মারিটের নামে সম্প্রতি প্রকাশিত ৯০০টির বেশি ইমেইল জনমাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। তিনি সাবেক যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছেন এবং দুর্বল বিচারবোধ দেখানোর অভিযোগ মেনে নিয়েছেন। এর প্রভাব হিসেবে কিছু সংস্থা তাকে তাদের বার্ষিক পুরস্কারের পৃষ্ঠপোষকতা থেকে সরিয়েছে।
রাজপরিবারের জনপ্রিয়তা এখনও বেশি , তবে এই ঘটনা প্রিন্সেসের সুনাম ও নরওয়ের রাজতন্ত্রের ভবিষ্যতের ওপর প্রশ্ন তুলেছে।








