টানা ছয় ম্যাচে হারা। অন্তত একটি জয়ের জন্য মুখিয়ে ছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। অবশেষে সপ্তম ম্যাচে এসে কাঙ্খিত সেই জয়ের দেখা পেল বিপিএলের নবাগত দলটি। মৃত্যুঞ্জয়ের হ্যাটট্রিকে নোয়খালীকে দেড়শ রানের আগেই আটকেছিল রংপুর । তবে দারুণ বোলিংয়ে নুরুল হাসান সোহানদের জয়রথ থামিয়েছে হায়দার আলির দল।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে নোয়াখালীকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় রংপুর। ১৯.৫ ওভারে ১৪৮ রানে অলআউট হয় হায়দার আলির দল। জবাবে নেমে ৯ উইকেটে ১৩৯ রানে রংপুরের ইনিংস।
রানতাড়ায় নেমে ২৩ রান দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে রংপুর। ডেভিড মালান ৭ রানে এবং লিটন দাস ১৫ রানে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে ইফতিখার আহমেদ ও তাওহীদ হৃদয় মিলে যোগ করেন ৬৩ রান। ৩১ বলে ৩৭ রানে ইফতিখার আউট হলে জুটি ভাঙে।
১০০ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় রংপুর। মাহমুদউল্লাহ ফেরেন ৮ বলে ৯ রান করে। ১০৭ রানে হৃদয় আউট হন ২৮ বলে ২৯ রান করে। ১১২ রানে সোহানের উইকেট হারায় রংপুর। ৬ বলে ৪ রান করেন রংপুর অধিনায়ক। ১৩৪ রানে সপ্তম উইকেট হারায় দলটি। খুশদিল শাহ ফেরেন ১৬ বলে ২৪ রান করে। ১ রান যোগ করতেই ফেরেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। এরপর ওভারের শেষ বলে আউট হন মোস্তাফিজ।
নোয়াখালীর হয়ে হাসান মাহমুদ ৪ উইকেট নেন। জহির খান নেন দুই উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে শাহাদাত হোসেন দীপু করেন ১৪ এবং সৌম্য সরকার করেন ৩১ রান। হাবিবুর রহমান সোহান ৩০, জাকের আলি অনিক ৩৮, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২৮ রান করেন। বাকিদের কেউ দুইঅঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। শেষ ওভারে অঙ্কন, জহির খান এবং বিলাল সামিকে ফিরিয়ে বিপিএলে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক আদায় করেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
রংপুরের হয়ে মোস্তাফিজ ও মৃত্যুঞ্জয় তিনটি করে উইকেট নেন। খুশদিল শাহ ২, সুফিয়ান মুকিম এবং নাহিদ রানা একটি করে উইকেট নেন।







