কেন উইলিয়ামসন, টিম সাউদি, মিচেল স্যান্টনার, ডেভন কনওয়ে এবং মিচেল ব্রেসওয়েলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের ছাড়াই খেলতে নেমেছিল নিউজিল্যান্ড। অকল্যান্ডের পিচে গতি ও বাউন্স থাকলেও ২৭৫ রানের লক্ষ্য মোটেও পাহাড়সম ছিল না। অথচ শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারের আগেই হয়েছে অলআউট। ১৯৮ রানের বড় জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল কিউইরা।
শনিবার হওয়া দিবারাত্রির ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করা স্বাগতিকরা ৪৯.৩ ওভারে ২৭৪ রানে অলআউট হয়। জবাবে শ্রীলঙ্কা ১৯.৫ ওভারে ৭৬ রানেই গুঁটিয়ে যায়।
এ পরাজয়ের ফলে চলতি বছর ভারতে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সরাসরি খেলাটা বেশ জটিল হয়ে গেছে। ওয়ানডে সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলে সুবিধাজনক অবস্থানে নেই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২২ ম্যাচে লঙ্কানদের পয়েন্ট ৭৭, অবস্থান দশে।
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডের সিরিজের শেষ দুটিতে শ্রীলঙ্কা জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ৯৭। এমন হলে তাদেরকে মনেপ্রাণে চাইতে হবে সাউথ আফ্রিকা যেন সুপার লিগে নিজেদের শেষ দুটি ম্যাচে হারে। তবেই লঙ্কানরা সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে পারবে। ১৯ ম্যাচে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নয়ে আছে প্রোটিয়ারা।
আগে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডের হয়ে ফিন অ্যালেনের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত চাদ বোয়েস। সাউথ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক এ ক্রিকেটার ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি।
স্বাগতিকদের ইনিংসে একমাত্র ফিফটি পান অ্যালেন। ৪৯ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় খেলেন ৫১ রানের ইনিংস। এছাড়া রাচিন রবীন্দ্র ৪৯, ড্যারিল মিচেল ৪৭ ও গ্লেন ফিলিপস ৩৯ রান করেন।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে চামিকা করুনারাত্নে নেন ৪ উইকেট। লাহিরু কুমারা এবং কাসুন রাজিথা দুটি করে উইকেট পকেটে পুরেন। একটি করে উইকেট পান দাসুন শানাকা ও দিলশান মাদুশাঙ্কা।
২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই শ্রীলঙ্কার ইনিংসে নামে ধস। দলীয় ৩১ রানের মাথায় হারিয়ে ফেলে ৫ উইকেট। টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান নিজের চতুর্থ ওয়ানডে খেলতে নামা হেনরি শিপলি।
অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ১৮, চামিকা করুনারাত্নে ১১ ও কাসুন রাজিথা ১০ রান করেন। আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরেই যেতে পারেননি। ৭৬ রানেই অলআউট হয় অতিথিরা।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ম্যাচ সেরা শিপলি ৩১ রান খরচায় নেন ৫ উইকেট। ড্যারিল মিচেল ও ব্লেয়ার টিকনার দুটি করে উইকেট দখল করেন।
আগামী ২৮ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে হবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে। এ ম্যাচে হারলেই নিশ্চিতভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে খেলতে বাধ্য হবে শ্রীলঙ্কা।







