চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে উড়ন্ত সূচনা করেছিল নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচেও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে ব্লাক ক্যাপসরা। তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসকে ৯৯ রানে হারিয়ে দুইয়ে দুইয়ে চার হলো নিউজিল্যান্ডের। এ জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেই থাকলো দলটি।
৩২৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে একদমই সুবিধা করতে পারেনি ডাচরা। মিচেল স্যান্টনার-ম্যাট হেনরিদের কাছে ২২৩ রানে অসহায় আত্মসমর্পন করে স্কট এডওয়ার্ডসের দল। ১০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার স্যান্টনার। ৩ উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি পেসার ম্যাট হেনরি।
ডাচদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেছেন কলিন অ্যাকেরম্যান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ রান আসে অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডসের থেকে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট।
সোমবার হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ডাচদের অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী সূচনার পর আগ্রাসী হন দুই কিউই ওপেনার ডেভন কনওয়ে এবং উইল ইয়াং। ৬৭ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙেন রোয়েলফ ফন ডের মেরউই।
দ্বিতীয় উইকেটে ৭৭ রান যোগ করেন ইয়াং ও রাচিন রবীন্দ্র। ফিফটি পাওয়া ইয়াং ৮০ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৭০ রান করে ডে লেডের হাতে ধরা পড়লে ভাঙে জুটি। ইংলিশদের বিপক্ষে বিধ্বংসী ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি পাওয়া রাচিন এদিনও রান পেয়েছেন। ৫১ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৫১ রানে মেরউইয়ের দ্বিতীয় শিকার হন।
অধিনায়ক টম ল্যাথামকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৫৩ রান যোগ করেন ড্যারিল মিচেল। ৪৮ রান করা ড্যারিলকে বোল্ড করেন পল ফন মিকেরেন। ফিফটি পাওয়া ল্যাথাম ৬ চার ও এক ছক্কায় ৫৩ রান করে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন।
শেষদিকে মিচেল স্যান্টনারের ক্যামিওতে দলীয় সংগ্রহ তিনশো পেরোয় নিউজিল্যান্ডের। স্যান্টনার ১৭ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাট হেনরি ৪ বলে এক ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ১০ রানে।
ডাচদের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন আরিয়ান দত্ত, পল ফন মিকেরেন ও রোয়েলফ ফন ডের মেরউই।







