এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকার বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক বদলি একটি সিন্ডিকেটনির্ভর ও দুর্নীতিপ্রবণ ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ছিল, যা শিক্ষার মানোন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে জিপিই ও ইউনিসেফ আয়োজিত বাংলাদেশ শিক্ষা খাত বিশ্লেষণ (ইএসএ) বিষয়ক যাচাইকরণ কর্মশালা ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিক্ষক বদলি কার্যক্রমকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। নতুন নীতিমালার আওতায় উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। এসব কমিটি নির্দিষ্ট সময় পরপর বৈঠক করে বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তি করবে।
তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি কমিটি আবেদনগুলো পর্যালোচনা করবে। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদলির আদেশ জারি করবেন।
ববি হাজ্জাজ আরও জানান, জেলা, বিভাগীয় ও সিটি করপোরেশন পর্যায়েও পাঁচ থেকে ছয় সদস্যের কমিটি থাকবে। এসব কমিটি সংশ্লিষ্ট আবেদন যাচাই করে বদলির সিদ্ধান্ত দেবে। সিটি করপোরেশন, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কমিটিতে যথাক্রমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বক্তব্যে তিনি মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা খাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মসূচির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন অধিদপ্তর এবং ইউনিসেফের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

