যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের দল লেবার পার্টি। রাজা চার্লসের সাথে দেখা করে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। বাকিংহাম প্যালেস থেকে ফিরেই মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন স্টারমার। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ২৪ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন নতুন এই মন্ত্রিসভায়।
শনিবার (৬ জুলাই) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়. গতকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীত্ব ও সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ায় নতুন মন্ত্রিসভা গঠন শুরু করেছেন লেবার পার্টির নেতা স্টারমার।
যুক্তরাজ্যে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি। কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে মাত্র ১২১টি আসন। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে গেল কনজারভেটিভ পার্টি।
নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়ে পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন কিয়ের স্টারমার। লন্ডনের ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রথম ভাষণে তিনি বলেন, ইটের ওপর ইট গেঁথে দেশের অবকাঠামো পুনর্গঠন করা হবে। খেটে খাওয়া পরিবারগুলো যাতে জীবন চালাতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
নতুন মন্ত্রিসভায় অ্যাঞ্জেলা রেনারকে উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ডেভিড ল্যামি। অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস এবং জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এড মিলিব্যান্ড।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন যথাক্রমে ব্রিজিত ফিলিপসন ও ওয়েস স্টিটিং। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন জন হিলি। শাবানা মাহমুদ হয়েছেন দেশটির বিচারমন্ত্রী। জোনাথন রেনল্ডস পেয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে ৩৪ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিভিন্ন আসনে প্রার্থী ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এরা সবাই লেবার পার্টির সংসদ সদস্য। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার নির্বাচিত সংসদ সদস্য হলেন, রুশনারা আলী, রূপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক এবং আপসানা হক।
৯ জুলাই নির্বাচিত সদস্যদের শপথ এবং স্পিকার নির্বাচন করা হবে। ১৭ জুলাই রাজা তৃতীয় চার্লসের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হবে ১৪ বছর পর পরিবর্তন হওয়া নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা।







