বিজয়ের মাসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল তরুণ নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতির প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘নয়া মানুষ’। সিনেমাটি রাজধানীর আধুনিক মাল্টিপ্লেক্সসহ দেশের মোট ৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
বানভাসি মানুষের গল্প ‘নয়া মানুষ’। সিনেমাটি স্টার সিনেপ্লেক্সের পান্থপথ ও মিরপুর শাখা ছাড়াও মুক্তি পেয়েছে যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাস, শ্যামলী সিনেমা, দিয়াবাড়ির ম্যাজিক মুভি থিয়েটার, কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাস এবং ময়মনসিংহের পূরবী সিনেমা হলে।
বয়াতি আগেই জানিয়েছেন, মুক্তির প্রথম দিন থেকেই বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ছবির কলাকুশলীদের নিয়ে ‘নয়া মানুষ’ উপভোগ করবেন। মুক্তির দিনে দুপুর ২ টার শোতে বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘নয়া মানুষ’ টিম উপস্থিত থাকার কথাও জানান বয়াতি।
চরের মেহনতী মানুষের জীবন ও প্রকৃতির খেয়ালিপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আ. মা. ম. হাসানুজ্জামানের ‘বেদনার বালু চরে’ গল্প অবলম্বনে মাসুম রেজার চিত্রনাট্যে তৈরি হয়েছে ছবিটি। সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশীষ খন্দকার, ঝুনা চোধুরী, রওনক হাসান, মৌসুমী হামিদ, নিলুফার ওয়াহিদ, বদরুদ্দোজা, স্মরণ সাহা, শিখা কর্মকার, মাহিন রহমান, মেহারান সানজানা, পারভীন পারু, মেরি ও শিশুশিল্পী ঊষশী প্রমুখ।
দেশের অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ’র ব্যানারে নান্দনিক ফিল্মসের প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। সিনেমার প্রযোজক নাজমুল হক ভূঁইয়া।
২০২২ সালের অক্টোবরে চলচ্চিত্রটির চিত্রধারণ শুরু হয়। কিন্তু সুপার সাইক্লোন সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে শুটিং সেট চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৩ সালের ৬ এপ্রিল থেকে আবার নতুন করে শুরু হয় চলচ্চিত্রটির কাজ, শেষ হয় ১২ এপ্রিল। পোস্ট প্রোডাকশন শেষ করে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা হয় এবং ২ অক্টোবর সদস্যরা সিনেমাটি দেখে ২৩ অক্টোবর আনকাট সনদ নথিভুক্ত করেন।








