এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
নরসিংদী-২ আসনে (পলাশ এবং নরসিংদী সদর উপজেলার নিম্নলিখিত ইউনিয়ন সমূহঃ আমাদিয়া, পাঁচদোনা, মেহেরপাড়া) বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আবদুল মঈন খান। আলোচিত আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জন্য বরাদ্দ করেছিল ১১ দলীয় জোট। তবে নির্ধারিত সময়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় ব্যালটে থেকে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকও। জোটের ভোট ভাগ হওয়ায় বিএনপি প্রার্থী জিতেছে বলে মন্তব্য করেছেন জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপির গোলাম সরোয়ার (তুষার)।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি প্রার্থী ৫৭ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়েছেন। জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. আমজাদ হোসাইন পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৬৬৯ ভোট। আর এনসিসিপি সরোয়ার শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৬৭ ভোট।
ভোটে হারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোট প্রার্থীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন সরোয়ার। লিখেছেন, ‘জোটের ভোট ভাগ হওয়ায় বিএনপির প্রার্থী ৬ হাজার ৪৫৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নরসিংদী-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী জোটের বিরুদ্ধে গাদ্দারি না করলে, ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে এবং জামায়াতের তৃণমূল জোটের পক্ষে অবিভক্তভাবে পূর্ণ সহযোগিতাসহ কাজ করতে পারলে এগারো দলীয় জোট অন্তত ১০/১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করত।’
‘ভোটাররা যখন দেখেছে পলাশে জোট কাজ করছে না, আমাদের ভোটাররাও তখন ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। পাশাপাশি দিনভর কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিএনপির নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার পাশাপাশি এগারো দলীয় জোটের নিষ্ক্রিয়তা ভোটের মাঠকে প্রভাবিত করেছে।’
সরোয়ার আরও যোগ করেন, ‘আমজাদের এই গাদ্দারি বাংলাদেশ মনে রাখবে। নির্বাচনটা আমাকে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে একযোগে করতে হয়েছে। ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে এই আসনের নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশকে বিস্মিত ও উদ্বেলিত করত। আমি পলাশবাসীর হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসা পেয়েছি।
‘স্থানীয় প্রশাসনকে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’-যোগ করেন এনসিপি নেতা।








