এবারের সংগীত দিবসে প্রকাশিত হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’। কবির এই গানের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে প্রকৃতির নবীন উচ্ছ্বাস, মেঘ-বৃষ্টির চিরন্তন সৌন্দর্য এবং বর্ষার ভয়ংকর রূপের প্রকাশ।
বর্ষা প্রকৃতির বর্ণনাকে কেন্দ্র করে রচিত এই গানটি শিল্পী প্রকাশ করেছেন তার শ্রোতাদের জন্য। বর্ষাকে কেন্দ্র করে যুগলবন্দীর আদলে করা এই গানটিতে মূলত কণ্ঠ এবং সেতারকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন নজরুল সংগীত শিল্পী বর্ণালী সরকার। সেতার বাজিয়েছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন জাহাঙ্গীর আলম (শ্রাবণ)।
কাজী নজরুল ইসলামের বর্ষার গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ এবং বর্ষার রাগ ‘মেঘ’-এর সমন্বয়ে অনেকটা যুগলবন্দীর আদলে তৈরী করা হয়েছে কম্পোজিশনটি। গানটিতে পাখাওয়াজ ও তবলায় সঙ্গত করেছেন রবীন্দ্রনাথ পাল এবং পিয়ানোয় সঙ্গত করেছেন কৌশিক আহমেদ অন্তর।
গানটির মিক্সিং ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ। ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ গানটি শিল্পীদ্বয়ের নিজস্ব অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে।
তারা বলেন, সংগীতের মানুষ হিসেবে বিশ্ব সংগীত দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্ষা যেমন প্রকৃতিকে সজীব করে তোলে তেমনি বর্ষার গানও আমাদের মনকে প্রানবন্ত করে দেয়। এই গানের মাধ্যমে বর্ষার আবহকে শ্রোতাদের কাছে আরও জীবন্ত ও হৃদয়গ্রাহী করে তুলতে গানটির শুধু কথা আর সুর নয় সাথে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বাদ্যযন্ত্রের বিন্যাসকে।
নজরুল সংগীতের সুর ও সৌন্দর্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে কিছুটা ভিন্নভাবে তৈরী করা এই সংগীতায়োজন নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছেও সমাদৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।







