টি-টুয়েন্টি থেকে আগেই বিদায় নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। গত ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে ওয়ানডেকেও বিদায় বলে দেন টাইগার উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ফলে মাঠ থেকে বিদায় নেয়া হয়নি মুশফিকের। টাইগার তারকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দিতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বোর্ড।
শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় বিভাগ বাছাই ক্রিকেট লিগের উদ্বোধন শেষে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ জানান পরিকল্পনার কথা। বলেছেন, ‘এটা (মুশফিককে বিদায়ী সংবর্ধনা) আমরা পরিকল্পনা করব। এটা তো খুব স্বাভাবিক একটা ঘটনা। মুশফিক তো সম্ভবত দেশের একজন কিংবদন্তি। দীর্ঘ ১৯ বছরের পথপরিক্রমায় বাংলাদেশ ক্রিকেট যে আজকে এই অবস্থায় এসেছে, তার মধ্যে সে অন্যতম একজন, যে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে পথ দেখিয়েছে।’
‘আমি মনে করতে পারি, ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডে খেলা থেকে শুরু করে, পরে ২০০৭ বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত… সে যে পথটা দেখিয়েছে, তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার হবে। ক্রিকেট বোর্ড অত্যন্ত কৃতজ্ঞচিত্তে তার সব অর্জন স্মরণ করেছি আমরা। বিসিবি থেকে একটা বার্তা দিয়েছি, আমার লেখা ছিল। আমরা চেষ্টা করব, ক্রিকেট বোর্ড থেকে পরিকল্পনা করব কীভাবে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া যায়।’-যোগ করেন বিসিবি সভাপতি।
২০০৬ সালের ৬ আগস্ট হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় মুশফিকুর রহিমের। প্রায় ১৯ বছরের ক্যারিয়ারে খেলেছেন ২৭৪টি ওয়ানডে। ২৫৬ ইনিংসে ব্যাটিং করে ৯ সেঞ্চুরি ও ৪৯ ফিফটি হাঁকিয়েছেন। ৭৯.৭০ স্ট্রাইকরেটে ৩৬.৪২ গড়ে ৭,৭৯৫ রান করেছেন। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। শীর্ষে তামিম ইকবাল, ২৪৩ ম্যাচে ২৪০ ইনিংসে ৮,৩৫৭ রান করেছেন টাইগারদের সাবেক ওপেনার।
মুশফিক ওয়ানডেতে ২৭৪ ম্যাচের মধ্যে ২৭২টিতে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব সামলেছেন। সবমিলিয়ে ২৯৭ ডিসমিসালে (রান আউট ছাড়া) অবদান রেখেছেন। ২৪১টি ক্যাচ এবং ৫৬টি স্টাম্পিং করেছেন। ফিল্ডার হিসেবে দুটি ক্যাচ তালুবন্দি করেছেন।








