আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি থেকে আগেই অবসর নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ওয়ানডে ও টেস্ট খেলছিলেন। ওয়ানডেতে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুই ম্যাচে করেছেন ২ রান। সমালোচনার মুখেও পড়ছিলেন মুশফিকুর রহিম। শেষঅবধি ওয়ানডেকে বিদায় বলে দিলেন টাইগারদের অন্যতম সেরা তারকা ব্যাটার।
বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা পোস্ট ওয়ানডেতে অবসরের ঘোষণা দেন মুশফিক। লিখেছেন, ‘আজ আমি ফরম্যাট থেকে অবসর ঘোষণা করছি। আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুর জন্য। যদিও বৈশ্বিকভাবে চিন্তা করলে আমাদের অর্জন সীমিত হতে পারে। তবে এ কথা নিশ্চিত যে, যখনই আমি আমার দেশের জন্য মাঠে নামতাম, আমি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে শতভাগের বেশি দিয়ে খেলতাম।’
“গত কয়েক সপ্তাহ আমার জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল এবং আমি উপলব্ধি করেছি যে এটাই আমার ভাগ্য। আল্লাহ কুরআনে বলেছেন: ‘তিনি যাকে ইচ্ছা সম্মান দেন এবং যাকে ইচ্ছা অপমান করেন।’ (সুরা আল ইমরান, ৩:২৬)। মহান আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন এবং সকলকে সঠিক ঈমান দান করুন। সবশেষে আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই আমার পরিবার, বন্ধু এবং আমার ভক্তদের, যাদের জন্য আমি গত ১৯ বছর ধরে ক্রিকেট খেলে এসেছি।’’
২০০৬ সালের ৬ আগস্ট হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় মুশফিকুর রহিমের। প্রায় ১৯ বছরের ক্যারিয়ারে খেলেছেন ২৭৪টি ওয়ানডে। ২৫৬ ইনিংসে ব্যাটিং করে ৯ সেঞ্চুরি ও ৪৯ ফিফটি হাঁকিয়েছেন। ৭৯.৭০ স্ট্রাইকরেটে ৩৬.৪২ গড়ে ৭,৭৯৫ রান করেছেন। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। শীর্ষে তামিম ইকবাল, ২৪৩ ম্যাচে ২৪০ ইনিংসে ৮,৩৫৭ রান করেছেন টাইগারদের সাবেক ওপেনার।
মুশফিক ওয়ানডেতে ২৭৪ ম্যাচের মধ্যে ২৭২টিতে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব সামলেছেন। সবমিলিয়ে ২৯৭ ডিসমিসালে (রান আউট ছাড়া) অবদান রেখেছেন। ২৪১টি ক্যাচ এবং ৫৬টি স্টাম্পিং করেছেন। ফিল্ডার হিসেবে দুটি ক্যাচ তালুবন্দি করেছেন।








