এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
তিন দফা দাবি আদায়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। দাবি না মানলে বিকেল চারটার পর সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চ করবেন বলে জানিয়েছেন তারা।
আজ ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজারো শিক্ষক ঢাকার শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও স্লোগান দিচ্ছেন। তাদের তিনটি দাবি— মূল বেতনের ২০ শতাংশ বা ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা বাড়ির ভাতা প্রদান, প্রতি শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা প্রদান এবং উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশে উন্নীত করা।
বিকেল চারটা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিলেন শিক্ষকরা
দুপুরে পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। একই সময়ে জোটের সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ফোনে কথা বলেন এবং লংমার্চ কর্মসূচি স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান। শিক্ষকনেতারা এই অনুরোধে সাড়া দিয়ে বিকেল চারটা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন।
শিক্ষক নেতা দেলাওয়ার আজিজী বলেন, প্রশাসন জানিয়েছে, দাবি মানা হবে, কিন্তু প্রজ্ঞাপন দিতে কিছুটা সময় লাগবে। আমরা বিকেল চারটা পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তারপরও যদি প্রজ্ঞাপন না আসে, আমরা লংমার্চে যাব। আমরা আলোচনার কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করব না। এখন একটাই দাবি—অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন দিতে হবে। আশ্বাস নয়, লিখিত প্রজ্ঞাপন ছাড়া শিক্ষকরা ফিরে যাবেন না। আজ দুপুরের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চ শুরু করা হবে।
শহীদ মিনারে ভিড়, স্লোগানে মুখর পরিবেশ
শহীদ মিনারে হাজারো শিক্ষক ‘২০ পার্সেন্ট বাড়িভাড়া দিতে হবে, দিয়ে দাও’, ‘১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা দিতে হবে, দিয়ে দাও’, ‘শিক্ষকদের ওপর হামলার বিচার চাই’—এমন স্লোগান দিচ্ছেন। শিক্ষকদের একাংশ কাঁধে ব্যাগ, হাতে ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে এসে অবস্থান করছেন প্রাঙ্গণে। আন্দোলনের কারণে আজ সারাদেশে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে পাঠদান বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।








