আজ থেকে ঠিক ৩২ বছর আগে ১৯৯৩ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছিল প্রয়াত সালমান শাহ ও মৌসুমী জুটির ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমাটি। সেই হিসেবে এই জুটির ৩২ বছর পূর্ণ হলো।
সালমান শাহ অকালে চলে গেলেও ১৯৯৩ থেকে ২০২৫ দীর্ঘ ৩২ বছরের সফল জার্নি মৌসুমীর। বর্ণিল ক্যারিয়ারের কারণে তাকে প্রিয়দর্শিনী উপাধি দেয়া হয়েছে।
চলচ্চিত্র তো বটেই মডেলিং, টিভি নাটক, পরিচালনা, প্রযোজনা, প্লেব্যাক সব মিলিয়ে মৌসুমী নিজেই একটা অধ্যায়! ধারাবাহিক কাজের মাধ্যমে শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে এদেশে শাবানা পরবর্তী একমাত্র অভিনেত্রী মৌসুমী ছিলেন তিন দশকেরও বেশী সময় তার চলমান কাজ নিয়ে।
‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে যেমন এক ছবিতে সুপারস্টার তকমা পেয়েছিলেন মৌসুমী। এরপরে সময়ের ব্যবধানে অগণিত হিট, সুপারহিট ছবি উপহার দিয়ে সবার কাছে নন্দিত অভিনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন মৌসুমী।
গত দেড় বছর যাবৎ আমেরিকাতে মা ও সন্তানের সাথে অবস্থান করছেন নায়িকা মৌসুমী। তিনি প্রবাসে থাকলেও দেশে তার অগণিত ভক্তরা প্রতিনিয়ত তাকে স্মরণ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে ফ্যানক্লাব কর্তৃপক্ষের আয়োজনে সামাজিক কাজের সাথে যোগাযোগ রাখছেন মৌসুমী।
তারই ধারাবাহিকতায় মৌসুমীর অভিষেকের ৩২ তম বছরে অর্থাৎ ২৫ মার্চ মৌসুমী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে এবং টিম মৌসুমী ও এমএজেড-র এডমিন তানজিনা সুলতানার নেতৃত্বে আয়োজনে বিশেষভাবে দিনটি পালন করা হয়।
রাজধানীর রামপুরার হাজিপাড়ায় ছিন্নমূল মানুষ ও অসহায় পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয় যাতে অসহায় পরিবারগুলো ঈদের কেনাকাটার আনন্দে শামিল হতে পারে।
আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ‘মৌসুমী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন’ এর সাংগঠনিক সম্পাদিকা রোকাইয়া সিদ্দীকা। ভলেন্টিয়ার হিসেবে ছিলেন ইসরাত, রোজ, রুমানা, প্রিয়া, নাসরিন, মাসুদ এবং আমজাদ।







