গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর, এক দিনে প্রায় তিন লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন।
আজ (২৮ জানুয়ারি) মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণে বিপর্যস্ত উত্তর গাজার বাসিন্দাদের অধিকাংশই এখনও ভাঙা বাড়ি ও ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আশ্রয় খুঁজে ফিরছেন, ৪৭০ দিন পর নিজেদের ঘরে ফিরে আসেন।
এদের মধ্যে বহু মানুষ দক্ষিণ ও মধ্য গাজা অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তবে এখন তারা আবার নিজেদের এলাকায় ফিরছেন, যদিও প্রায় পুরো উত্তর গাজা অঞ্চলের বাড়িঘরই ইসরায়েলি বোমায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তবুও, উচ্ছ্বসিত ফিলিস্তিনিরা আজকের দিনটিকে তাদের জীবনের অন্যতম সুখী দিন হিসেবে দেখছেন।
উত্তর গাজায় এই ফিরতি যাত্রা শুরু হয় সোমবার সকাল থেকে, যখন হাজার হাজার মানুষ নেৎজারিম করিডোর দিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরে আসেন। অনেকেই গাধার গাড়ি কিংবা ঘোড়ায় করে মালপত্র নিয়ে ফিরছেন। গাজা সিটির প্রধান সড়কে একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে ‘গাজায় স্বাগতম’ লেখা ব্যানার টাঙানো ছিল।
এদিকে, হামাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, উত্তর গাজায় এই সব ফিরিয়ে আসা মানুষদের জন্য অন্তত ১ লাখ ৩৫ হাজার তাঁবু প্রয়োজন। গত বছরের ৭ আগস্টের পর শুরু হওয়া যুদ্ধের পর, গাজায় প্রায় ৪৭ হাজার ৩ শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হন, আরও ১ লাখ ১২ হাজার মানুষ আহত হন এবং লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে বাধ্য হন।
গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে, গাজার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা আবার তাঁদের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেন, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।







