২০২৫–২৬ কর বছরের প্রথম দিনেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ১০ হাজারের বেশি করদাতা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ নতুন কর বছরের ই-রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম উদ্বোধন করার পর দিনশেষে অনলাইনে রিটার্ন জমা পড়ে ১০ হাজার ২০২টি।
২০২৪ কর বছরের প্রথম দিনে এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৪৪। সে হিসাবে এবারে প্রথম দিনেই করদাতাদের সাড়া বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ।
এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, রিটার্ন দাখিলে করদাতাদের এমন সাড়া এবারই প্রথম। ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা এবং অনলাইন পদ্ধতির সরলীকরণ এতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন তারা।
গত ৩ আগস্ট এনবিআরের জারি করা এক আদেশে বলা হয়, এবার থেকে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণ, শারীরিকভাবে অক্ষম, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, বিদেশে অবস্থানরত কিংবা মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিকে ছাড়া অন্য সব ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
তবে কেউ যদি কারিগরি সমস্যার কারণে ই-রিটার্ন দাখিল করতে না পারেন, তাহলে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে ৩১ অক্টোবর ২০২৫-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনার বরাবর আবেদন করে কাগজে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
২০২৪ কর বছরে সীমিত পরিসরে বাধ্যতামূলক ই-রিটার্ন চালু হলে প্রায় ১৭ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা দেন।
বর্তমানে করদাতারা অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার পাশাপাশি বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ব্যাংক ট্রান্সফার এবং কার্ডের মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারছেন।
রিটার্ন দাখিলের সঙ্গে সঙ্গে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র (acknowledgement slip) ও আয়কর সনদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রিন্ট করা যাচ্ছে। পাশাপাশি এনবিআরের হেল্পলাইন ও কলসেন্টার থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা মিলছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।








