অর্থ পাচারের অভিযোগের মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাত বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের রায় আগামী ৬ মার্চ।
মঙ্গলবার (০৪ মার্চ) এই আপিলের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ রায়ের দিন ধার্য করেন।
আদালতে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আসিফ হাসান।
২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করে দুদক। এই মামলায় ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। বিচার শেষে ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়ে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অর্থপাচার এই মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত। এছাড়া কারাদণ্ডের পাশাপাশি মামুনকে ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। আর পাচারের অভিযোগে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন আদালত। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আপিল করে দুদক। পাশাপাশি গিয়াস উদ্দিন মামুনও আপিল করেন। এই দুই আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিচারিক আদালতে খালাস পাওয়া তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, এই মামলায় গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন মামুন আপিল করেন।








