আফগানিস্তানের তরুণ ব্যাটার হাসান ঈসাখিলের আরেকটি পরিচয় বাবার নামে। যিনি আফগান তারকা অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী। তবে বিপিএল অভিষেকেই ১৯ বর্ষী ওপেনার বুঝিয়ে দিয়েছেন, নিজের নামে পরিচয় গড়তে সময় খুব বেশি লাগবে না। বাবা-ছেলে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে গড়েছেন জুটি, জিতিয়েছেন ম্যাচ। দুজনের সম্পর্কটাও বন্ধুর মতো, জানালেন ঈসাখিল।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে নোয়াখালী। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ১৮৪ রানের সংগ্রহ গড়ে পয়েন্ট টেবিলে তলানির দলটি। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ১৮.২ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করতে পারে ঢাকা।
নোয়াখালীর বড় সংগ্রহ গড়তে নাবী-ঈসাখিলের চতুর্থ উইকেট জুটিতে আসে ৩০ বলে ৫৩ রান। যদিও একটা আক্ষেপ সঙ্গী হয়েছে তাদের। সেঞ্চুরি থেকে ৮ রান দূরে আউট হয়েছেন ঈসাখিল। ১৮তম ওভারের শেষ বলে নবী যখন আউট হন, তখন ৯২ রানে অপরাজিত ছিলেন। বাবা আউট হওয়ার ৫ বল পর আউট হয়ে যান হাসানও।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ঈসাখিল। জানান, বাবা তার আদর্শ হলেও অনুকরণ করেন না। ঈসাখিল বলেছেন, ‘আদর্শ আমার বাবা। তবে বাবার মতো খেলার চেষ্টা করিনি, অনুকরণ করিনি। বন্ধুরা বলে তুমি বাবাকে অনুকরণ করছ। তবে এটা স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে। আমাদের সম্পর্কটা বন্ধুর মতো। আমরা ক্রিকেট নিয়ে সবই আলোচনা করি।’
বাবা অলরাউন্ডার, ঈসাখিল কেন সেদিকে ঝুঁকলেন না? বলেছেন, ‘বল করতে পছন্দ করি না। আমার ফোকাস ব্যাটিংয়ের দিকেই। দুই আড়াই ঘণ্টা ব্যাট করে যেতে পারব। আমরা বিপিএলে ভালো ভালো স্মৃতি তৈরি করছি। বাড়িতে অনুশীলনেও আমাকে সহায়তা করেন, আমিও তাকে করি।’
‘হ্যাঁ, আগে এভাবে কখনও সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে আসিনি। মনোযোগ রেখেছিলাম ক্রিকেট আর ক্যারিয়ারেই। কোন সাক্ষাৎকার দিতাম না। এটাই আমার স্বপ্ন, বাবার সঙ্গে জাতীয় দলে খেলারও আশা আছে। এজন্য কঠোর পরিশ্রম করছি, ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করার চেষ্টা করছি।’








