আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ সাবমার্সিবল বা ডুবোজাহাজ টাইটানের কোন সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। এতাক্ষণে ফুরিয়ে যাওয়ার কথা সাবমার্সিবলের অক্সিজেন। ক্রমশই সেখানকার পাঁচ আরোহীকে জীবিত উদ্ধারের আশাও ছেড়ে দিচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। পুরো বিশ্ব যখন ডুবোজাহাজটি উদ্ধার হওয়ার আশায় প্রহর গুনছে, তখন নেটফ্লিক্সের একটি কাজ জন্ম দিয়েছে তুমুল সমালোচনার।
নেটফ্লিক্স ফ্রিডাইভিং ডকুমেন্টারি ‘দ্য ডিপেস্ট ব্রেথ’-এর ট্রেলার প্রকাশ করেছে। এটি অ্যালেসিয়া জেচিনির জীবনকাহিনী প্রদর্শন নিয়ে তৈরি, যিনি ফ্রিডাইভিং-এ বর্তমান বিশ্ব রেকর্ডের অধিকারী। এটি নিয়েই চলছে সমালোচনা।
২০ তারিখ প্রকাশিত ট্রেলারটিতে দেখা গেছে অ্যালেসিয়া জেচিনি সমুদ্রের গভীরে ডুব দিচ্ছেন। ফ্রিডাইভিং হলো একটি ডাইভিং কৌশল যেখানে গিয়ারের পরিবর্তে শ্বাস-প্রশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পানির নিচে টিকে থাকতে হয়।
সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা নেটফ্লিক্সের সময়জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকেই মনে করছেন, ডুবোজাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনাটিকে ডকুমেন্টারির প্রচারণার জন্য ব্যবহার করেছে নেটফ্লিক্স।
এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘এটা প্রকাশের সঠিক সময় নয় এটি’। আরেকজন লিখেছেন, ‘খুবই খারাপ সময়ে প্রকাশ করেছেন’। আরেকজন লিখেছেন, ‘সব কিছু নিয়ে ব্যবসা চলে না’!
রবিবার, সাবটি ডুব দেয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে জাহাজের সাথে এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। টাইটানের পাঁচ আরোহীর মধ্যে একজন পাইলট ও অপর চারজন যাত্রী। এই যাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ব্যবসায়ী শাহজাদা দাউদ ও তার ছেলে সুলেমান দাউদ, ব্রিটিশ অভিযাত্রী হামিশ হার্ডিং এবং ফ্রান্সের নৌবাহিনীর সাবেক ডুবুরি পল হেনরি নারজুলেত।
সূত্র: পিঙ্কভিলা







