দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নতুন এই নেতৃত্ব কাঠামোর প্রথম পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল থেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের মাধ্যমে। দীর্ঘমেয়াদী অধিনায়কত্ব এবং দলের পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন মিরাজ।
শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ম্যাচের ধারাভাষ্য শোনা যাবে রেডিও ভূমিতে। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেখানে জানান দীর্ঘমেয়াদী নেতৃত্বে খেলোয়াড়রা মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকবে।
বিশ্বকাপের মতো বড় আসরগুলোকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই মিরাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। নতুন নেতৃত্ব কাঠামো এখন থেকেই আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ শুরু করবে। সেই পথচলার শুরুটা হতে চলেছে নিউজিল্যান্ড সিরিজ।
টাইগার অলরাউন্ডার বলেন, ‘দেখেন ২৭ সালের বিশ্বকাপ অবশ্যই একটা প্রক্রিয়ার ব্যাপার, লম্বা সময়ের ব্যাপার। ততোদিন পর্যন্ত যেতে গেলে কিন্তু আপনার প্রক্রিয়াটা চালিয়ে নিতে হবে এবং সিরিজ জ্ঞান খাটিয়ে ভালো খেলতে হবে।’
২০২৭ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশকে আটের মধ্যে থাকতে হবে। স্বাগতিক হিসেবে সাউথ আফ্রিকা এমনিতেই আসরে খেলবে। প্রোটিয়ারা র্যাংকিংয়ে আটের মধ্যে থাকলে অবশ্য বাংলাদেশ আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে নয় নম্বরে থাকলেও সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপ। সামনের সিরিজগুলোতে টাইগারদের ভালো খেলার বিকল্প নেই।
সবশেষ দুই ওয়ানডে সিরিজ জেতার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন মিরাজ। তার ভাষ্য, ‘আপনি যদি দেখেন যে শেষ দুটা সিরিজ আমরা খুবই ভালো ক্রিকেট খেলেছি এবং প্রক্রিয়াটা ভালো ছিল। খেলোয়াড়রাও অনেক আত্মবিশ্বাসী। লম্বা সময়ের জন্য একজন ক্যাপ্টেন যদি থাকে একটা টিমকে খুব ভালো ভাবে বন্ডিং করতে পারে।’
‘লম্বা সময়ের জন্য আমি বলি না যে কাউকেই দায়িত্ব দেয়া হোক। কারণ দিন শেষে তার জন্য অনেক কঠিন একটা দলীয় ঐক্য করাটা। তাই আমার কাছে মনে হয় এটা একটা ইতিবাচক দিক এবং আমি খুব ভালো মতো পরিকল্পনা করতে পারবো প্রত্যেকটা সিরিজ এবং কোন কন্ডিশনে আমরা খেলব এবং খেলোয়াড়রাও মানসিকভাবে মুক্ত থাকবে যে আসলে আমরা কার অধীনে খেলবো।’








