ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ের মূল শোকযাত্রায় রাজধানী তেহরানে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।
সোমবার (৬ জুলাই) ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি ‘বিশেষ’ গাড়িতে খামেনির মরদেহ বহন করে শোকযাত্রা সম্পন্ন করা হবে। পুরো কর্মসূচি শেষ হতে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
শোকযাত্রাকে কেন্দ্র করে তেহরান ও কোম শহরে বিশেষ ট্রাফিক বিধিনিষেধ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ, যাতে নিরাপত্তা ও জনসমাগম নির্বিঘ্ন রাখা যায়।
এদিকে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি রোববার অনুষ্ঠিত তার বাবার জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন না। তবে কয়েক ঘণ্টা পর তার নামে জারি করা এক ডিক্রিতে গোলাম হোসেইন মহসেনি এজেইকে পুনরায় ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। তিন দিনের এই শোকানুষ্ঠান শেষে মাশহাদ শহরে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, জানাজা ও শোকযাত্রায় সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের অংশগ্রহণের একটি ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের গণমাধ্যম। সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর এটিই তার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি বলে জানা গেছে। ওই সংঘাত চলাকালে তার বাসভবনের আশপাশের এলাকাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আহমাদিনেজাদকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তার শাসনামলে বিরোধী নেতা মীর হোসেন মুসাভি, জাহরা রাহনাভার্দ এবং মেহদি কারুবিকে গৃহবন্দী ও আটক রাখা হয়েছিল।

