প্রথম লেগে ১-০তে পিছিয়ে পড়েছিল ইন্টার মিয়ামি। ফিরতি লেগেও শুরুটা হয় গোল হজম করে। সেখান থেকে আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির জোড়া গোলে প্রত্যাবর্তনের দুর্দান্ত গল্প লিখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি। জয়ে কনক্যাক্যাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের সেমিফাইলেও উঠে গেছে মিয়ামি।
কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বৃহস্পতিবার লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির বিপক্ষে ৩-১ গোলে জিতেছে মিয়ামি। দুই লেগ মিলিয়ে মেসিরা জিতলেন ৩-২ গোলে।
প্রথম লেগে পিছিয়ে থাকা মিয়ামির বিপদ আরও বাড়ে খেলার নবম মিনিটে। লস অ্যাঞ্জেলেসকে এগিয়ে দেন অ্যারন লং। ৩৫ মিনিটে দারুণ এক স্ট্রাইকে মিয়ামিকে ম্যাচে ফেরান লিওনেল মেসি। হাভিয়ের মাশ্চেরানোর দলের তখন আরও দুই গোলের প্রয়োজন।
তার আগে ৩১ মিনিটে ফ্রি-কিকে সরাসরি বল জালে পাঠান মেসি। তবে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের প্রতিবাদের মুখে থেমে যায় মেসিদের উল্লাস। লস অ্যাঞ্জেলেস গোলকিপার হুগো লরিস ও অন্যরা তখনও প্রস্তুত ছিলেন না। তাদের দাবির মুখে ভিএআর দেখে গোল দেননি রেফারি।
চার মিনিট পরই দুর্দান্ত গোলে সমতা টানেন মেসি। সুয়ারেজের থেকে ফিরতি বল পেয়ে বাঁ-পায়ের কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান মেসি। ৬১ মিনিটে অদ্ভুত এক গোলে এগিয়ে যায় মিয়ামি। বক্সের বাইরে থেকে গোলমুখে আলতো করে চিপ করেন নোয়াহ অ্যালেন। সতীর্থ ফেদেরিকো রেদোন্দো ছুটে গিয়েও বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি, তবে উড়ন্ত বল ধরতে এগিয়ে এসে ফ্লাইট বুঝতে পারেননি লস অ্যাঞ্জেলেস গোলকিপার লরিসও। বল মাটিতে পড়ে ঢুকে যায় জালে।
৮২ মিনিটে মিয়ামির কর্নার থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস গোলমুখে জটলার মধ্যে হ্যান্ডবলের আবেদন তোলেন মেসিরা। ভিএআর দেখে রেফারি নিশ্চিত হন, মার্ক দেলগাদোর হাতে লেগেছে বল। সেখান থেকে ঠাণ্ডা মাথায় নেয়া পেনাল্টিতে গোল করেন মেসি। জয় নিশ্চিত হয়। মেলে সেমির টিকিট।







