খেলোয়াড়ি বা ব্যক্তিগত জীবনে প্রাপ্তি-অর্জনের শেষ নেই লিওনেল মেসির। অর্থ-বিত্তের দিক থেকেও ধনকুবেরই বলা যায় আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে। তবু তার জীবনে রয়ে গেছে একটি আফসোস। আর সেটি ইংরেজি না শেখা ও বলতে না পারা।
শৈশবে হরমোনজনিত রোগে ভুগেছেন মেসি। খুব অল্প বয়সে যোগ দেন বার্সেলোনার বয়সভিত্তিক দলে। তারপর আর পিছু ফিরে তাকানোর সময়ও পাননি। বার্সেলোনা, পিএসজি ও আর্জেন্টিনার জার্সিতে একের পর এক ধরা দিয়েছে সাফল্য। এত দিন পর পেছন ফিরে মেসি স্বীকার করেছেন, বেড়ে ওঠার সময়ে পড়াশোনায় মনোযোগ দেয়ার মতো সময় তার ছিল। কিন্তু সুযোগটা কাজে লাগাননি কিংবদন্তি মেসি।
মেক্সিকান পডকাস্ট ‘মিরো দে আত্রাস’এ আর্জেন্টিনার সাবেক গোলকিপার নাহুয়েল গুজমানের সঙ্গে আলাপকালে মেসি বলেছেন, ‘অনেক বিষয়েই আমার আফসোস আছে। আমি সন্তানদের বলি- ভালো শিক্ষা না নেয়া, ছোটবেলায় ইংরেজি না শেখা-এসব নিয়ে আক্ষেপ রয়েছে। আমার লেখাপড়া করার সময় ছিল, সে জন্য আফসোস হয়। আমার কোন কিছুর অভাব ছিল না, বাবা সব সময়ই সর্বোচ্চটা করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ওদের সামনে আরও বেশি সুযোগ রয়েছে।’
পডকাস্টে জীবন নিয়ে মেসি একটি বার্তাও দেন সবাইকে, ‘জীবনকে উপভোগ করতে হবে, যদিও অনেক সময় তা কঠিন। আমরা সবাই একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাই না। অনেকেই ভিন্ন ও কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। তবু জীবন উপভোগ করা কখনো থামানো উচিত নয়। ব্যক্তিগতভাবে এখন আমার জীবনে যা ঘটছে, যা করছি-সবকিছু অনেক বেশি উপভোগ করি। পরিবার, সন্তান, প্রতিদিনের জীবন, ছোট ছোট মুহূর্ত-এসবই এখন আমার কাছে বড় আনন্দের। প্রতিটি দিনই উপভোগ করার মতো একটি দিন, কারণ আমরা জানি না আগামীকাল কী অপেক্ষা করছে।’


