ঊরুর চোটে মাঠের বাইরে আছেন কাইলিয়ান এমবাপে। নেশনস লিগে ফ্রান্সের দুটি ম্যাচের স্কোয়াডে নেই বিশ্বজয়ী তারকা। এরমাঝে গুরুতর অভিযোগে জড়ালেন ২৫ বর্ষী রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার পরিচিতজনদের সঙ্গে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে যান এমবাপে। সফরের সময়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সুইডেনের দুটি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেসেন ও আফতোব্লাদেত জানিয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ডের বিরুদ্ধে।
এক্সপ্রেসেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে একটি ধর্ষণের অভিযোগে এমবাপেকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, পুলিশ প্রমাণ হিসেবে কিছু কাপড় উদ্ধার করেছে। এরমধ্যে রয়েছে এক জোড়া কালো ট্রাউজার, নারীদের অন্তর্বাস ও কালো টপ।
আফতোব্লাদেত দাবি করেছে, এ ঘটনায় এমবাপেকে সন্দেহভাজন অপরাধী করা হয়েছে। যার তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে নৈশক্লাবে প্রবেশের আগে একটি রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খেয়েছেন তারা। শুক্রবার সুইডেন ছাড়েন এমবাপে। শনিবার ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়।
মঙ্গলবার সুইডিশ কৌসুলিরা ধর্ষণের অভিযোগে তদন্ত শুরুর ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন। তবে সন্দেহভাজনের নাম উল্লেখ করেননি। বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত স্টকহোমে সন্দেহভাজন ধর্ষণের প্রতিক্রিয়ায় কৌসুলিরা নিশ্চিত করছেন, পুলিশের কাছে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর স্টকহোমের একটি হোটেলে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটার ধারণা করা হচ্ছে। এ মুহূর্তে এরচেয়ে বেশি জানানো সম্ভব নয়।’
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এগুলোকে ভুয়া সংবাদ বলে মন্তব্য করেছেন এমবাপে। পিএসজির কাছে পাওনা নিয়ে শুনানিতে যাওয়ার কথা রয়েছে তার। ফরাসি তারকার দাবি, এই প্রতিবেদন ও শুনানির মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে। বলেছেন, ‘শুনানির আগে এমনকিছু হওয়ার অনুমান করেছিলাম।’
অভিযোগের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম বলেছেন, ‘এ ঘটনা জাতীয় দলের জন্য ভালো কিছু নয়। যে যার মতো করে লিখবে এখন, তাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
পিএসজিতে ৭ মৌসুম কাটিয়েছেন এমবাপে। চলতি বছরের জুনে ফরাসি ক্লাবটি ছেড়ে যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে। পিএসজির কাছে সাড়ে পাঁচ কোটি ইউরো বকেয়া পাওনা আছে, দাবি করেন তিনি।








