শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বেশ কয়েকটি শব্দ দেশের রাজনীতিতে ও গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে। ‘মাস্টার মাইন্ড’ এবং ‘রিসেট’ তার মধ্যে অন্যতম। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে নানা অব্যবস্থা ও নির্যাতনের ফলে জনমনে বহুবছর ধরে ক্ষোভ জমে ছিল, সেই জমে থাকা ক্ষোভের সাথে শিক্ষার্থী-চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন মিলেমিশে জন্ম হয়েছিল একটি গণঅভ্যুত্থানের। হাজারের বেশি তাজা প্রাণ ও আরো কয়েক হাজার ছাত্র-জনতার অঙ্গহানি ও আহত হবার মধ্যে দিয়ে অবসান হয় আওয়ামী লীগের আলোচিত শাসন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরে ‘মাস্টার মাইন্ড’ এবং ‘রিসেট’ শব্দ দুটি আলোচনায় আসে। আন্দোলনের পেছনের কাহিনী বয়ানের সময় উঠে আসে শব্দ দুটি। আন্দোলনের পেছনের কারিগর বা ‘মাস্টার মাইন্ড’ বলে পরিচিত করানো হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহফুজ আলমকে। তাকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবেও নিয়োগ দেয়া হয় এবং বর্তমানে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টা। যদিও মাহফুজ বার বার বলে আসছেন, তিনি এই আন্দোলন/অভ্যুত্থানের ‘মাস্টার মাইন্ড’ নন, এই অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দেশের ছাত্র-জনতা সবার। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের পেছনের নানা বিষয় উঠে আসছে, বিভিন্নজন বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম আনতে শুরু করেছেন ‘মাস্টার মাইন্ড’ হিসেবে। মাহফুজসহ নির্দিষ্ট কয়েকজন মাত্র এই আন্দোলনের পরিকল্পনাকারী ছিলেন নাকি, এই আন্দোলন/অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দেশের বিভিন্ন স্তরের জনগণের, তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলমান এবং সামনের দিনগুলিতে হয়তো গবেষণাও হবে।

এবার আসা যাক, ‘মাস্টার মাইন্ড’ শব্দটির উৎপত্তি ও ইতিহাস বিষয়ে। বিভিন্ন ডিকশনারি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ঘেটে দেখা যায়, ‘মাস্টার মাইন্ড’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ‘একজন মানুষ যার বুদ্ধিমত্তা একটু আলাদা’। মাস্টার মাইন্ড বলতে সাধারণত তাদের বোঝানো হয়, যারা কোনো জটিল/কঠিন কাজ সফলভাবে করতে কার্যকরভাবে পরিকল্পনা করতে পারে এবং নিশ্চিত করে যে ওই কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হবে। ১৬৯২ সালে ইংরেজ লেখক ও নাট্যকার জন ড্রাইডেনের ‘ক্লিওমেনিস: দ্য স্পার্টান হিরো’ নাটকে ‘মাস্টার মাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার হয়। নাটকে ‘মাস্টার মাইন্ড’ শব্দটি একটি ইতিবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহ্নত হয়েছিল, যার অর্থ ছিল ‘অসামান্য বুদ্ধিসম্পন্ন একজন ব্যক্তি’। এরপরে ১৭২০ সালে ইংরেজি লেখক ও অনুবাদক আলেকজান্ডার পোপ বিখ্যাত ইলিয়াডের অনুবাদের সময় ভলকানের অ্যাকিলিসের ঢাল তৈরির বর্ণনায় ‘মাস্টার মাইন্ড’ শব্দটি ব্যবহার করেন। এরপর থেকে শব্দটি বহুবছর ইতিবাচক অর্থে ব্যবহার হয়ে আসছিল।
১৮৭২ সালে অ্যান্টনি ট্রলোপের উপন্যাস দ্য ইউস্টেস ডায়মন্ডস-এর একটি চরিত্রের ডায়ালগ ছিল এমন, ‘এ সপ্তাহের আগ পর্যন্ত পুলিশের প্রতিটি সদস্য ভেবেছিল যে, আমিই ছিলাম চোরদের মধ্যে মাস্টারমাইন্ড’। সেই প্রথম শব্দটিকে একটি অপরাধমূলক ও নেতিবাচক অর্থে ব্যবহার করা হয় বলে জানা যাচ্ছে। এরপর থেকে ‘মাস্টার মাইন্ড’ শব্দটি নতুন অর্থ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যে, ‘একজন ব্যক্তি যিনি বুদ্ধিমান হবার পাশাপাশি জটিল বা অপরাধের পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারী’।
বিশ্বের রাজনীতি ও অর্থনীতির ইতিহাস ঘাটলে বহু ‘মাস্টার মাইন্ড’ এর উদাহরণ পাওয়া যায়। প্রাচীন মাস্টার মাইন্ড, আধুনিক মাস্টার মাইন্ড, রাজনৈতিক মাস্টার মাইন্ডসহ নানা ক্যাটেগরিতে তাদের ভাগ করা হয়ে থাকে। এসব তালিকায় ক্লিওপেট্রা, জুলিয়াস সিজার থেকে শুরু করে উইনস্টন চার্চিল, আব্রাহাম লিংকনের নাম উঠে এসেছে। রাজনীতির বহুল পরিচিত নেলসন মেন্ডেলা, মাহাথির বিন মোহাম্মদ, বারাক ওবামার নামও ‘মাস্টার মাইন্ড’ তালিকায় এসেছে, যাদের রাজনৈতিক চিন্তা, ত্যাগ-সংগ্রাম, ইতিবাচক কাজের পদ্ধতির প্রভাব শুধু তাদের নিজ নিজ দেশেই না পুরো বিশ্বের রাজনীতিতে আলোচিত। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিজেপির শীর্ষ নেতা অমিত শাহের নামও মাস্টার মাইন্ড হিসেবে আলোচিত হয়ে আসছে। নেতিবাচক বিচারে জার্মানির কুখ্যাত শাসক এডলফ হিটলারের নাম থাকে মাস্টার মাইন্ড হিসেবে। রাষ্ট্র ও অঞ্চলের বিচারে এরকম বহু রাজনৈতিক ‘মাস্টার মাইন্ড’ এর উদাহরণ পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞান ও অর্থনীতির ক্ষেত্রেও প্রভাব প্রতিপত্তি আর মতবাদের বিচারে ‘মাস্টার মাইন্ড’ হিসেবে টমাস আলভা এডিসন থেকে শুরু করে স্টিভ জবস-বিল গেটসদের মতো মানুষদের নাম থাকছে বিভিন্ন তালিকায়। যাদের অবদান ও ব্যবসায়িক দর্শন পুরো বিশ্বের অর্থনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে বড় ভূমিকা রেখেছে বা রাখছে।

যেহেতু দেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ‘মাস্টার মাইন্ড’ শব্দটি আলোচিত এবং সেই সূত্রেই এই লেখার অবতারণা, সেজন্য সাম্প্রতিক সময়ের উপমহাদেশের একজন আলোচিত ‘মাস্টার মাইন্ড’ এর উদাহরণ টানছি তাদের প্রভাব ও কাজের পদ্ধতি বোঝার জন্য। ভারতীয় এই রাজনীতিক ‘মাস্টার মাইন্ড’ সেদেশের রাজনীতিতে ও ক্ষমতার পট পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট আলোচিত।
ভারতের রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম প্রশান্ত কিশোর ওরফে ‘পিকে’। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের রোহতস জেলার সাসারামের কোনার গ্রামে ১৯৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বিহারের বক্সারে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য হায়দ্রাবাদ চলে যান। পড়াশোনা শেষে তিনি যোগ দেন জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিভাগে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচিতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন আফ্রিকায়। ২০০৭ সালে একবার দেশে ফিরে রাজনীতিতে যোগ দেবার ইচ্ছা পোষণ করেন, দেখা করেছিলেন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। কিন্তু রাজনীতির ভাবগতি পছন্দ না হওয়ায় আবার আফ্রিকায় গিয়ে কাজ করতে থাকেন। এরপর চাকরি ছেড়ে দিয়ে ২০১১ সালে ফিরে আসেন ভারতে। জাতিসংঘের কাজের অভিজ্ঞতা ও আফ্রিকার রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক না প্রেক্ষাপট থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজ দেশেই কিছু করার মনস্থির করেন।
দেশে গঠন করেন নিজের সংস্থা সিটিজেন্স ফর অ্যাকাউন্টেবল গভর্মেন্ট (সিএজি)। তার সংস্থায় আইআইটি এবং আইআইএম-এর পেশাদার লোকজনকে নিয়োগ করেন।
তিনি তার নিজের সংস্থায় আইআইটি এবং আইআইএম-এর পেশাদার লোকজনকে নিয়োগ করেন। পরের বছরই ছিল গুজরাটের বিধানসভার ভোট। ভোটের রণকৌশল তৈরি করতে এই প্রশান্ত কিশোরকেই নিয়োগ করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার নির্বাচন কৌশলী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য রবিন শর্মা এবং অন্যদের সঙ্গে একটি মিডিয়া এবং প্রচার সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো জয়ের জন্য নীতিশ কুমারের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। প্রশান্ত কিশোর প্রচারের জন্য কৌশল, সংস্থান এবং জোট নির্ধারণ করেছিলেন। নীতিশ কুমার তৃতীয়বারের জন্য জয়ী হন, ও প্রশান্ত কিশোরকে পরিকল্পা ও কর্মসূচি বস্তবয়নের জন্য তাঁর উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেন। এই সম্পর্ক ২০২০ সাল পর্যন্ত চলেছিল। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আপ ৭০টি আসনের মধ্যে ৬২টি আসনে অপ্রতিরোধ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতে। সেই সময় সবার চোখ ছিল প্রশান্ত কিশোরের দিকে। তার জন্যই এমন ভাল ফলাফল হয়।
২০১৭ সালের মে মাসে প্রশান্ত কিশোরকে ওয়াইএস জগনমোহন রেড্ডির রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠত নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। ১৭৫টির মধ্যে ১৫১টি আসন পেয়েছিলেন।

ডিএমকে প্রধান এম কে স্টালিন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন ২০২১ সালের জন্য প্রশান্ত কিশোরকে দলীয় কৌশলী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। পিকের কাজের ধরণ অনেকসময় বোঝানো না গেলেও তিনি যার সঙ্গে থেকেছেন তিনিই সাফল্যের স্বাদ পেয়েছেন। পর্দার পেছনে থেকে নিয়োগকর্তাকে তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারদর্শী প্রশান্ত কিশোর।
কথিত আছে তিনি যেখানেই হাত দেন সেখানেই সোনা ফলে। গুজরাট, বিহার, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ হয়ে পিকে কাজ করেছেন পশ্চিমবঙ্গে। তৃণমূলের হাত ধরে এইরাজ্যে প্রবেশ প্রশান্ত কিশোরের। রাজ্যে দলের বিপর্যয় রুখে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে রুখতে প্রশান্ত কিশোরের হাত ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলাফল সবার জানা।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রশান্ত কিশোরকে তার নির্বাচনী প্রচারকে রূপ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ফলাফলও হয়েছিল ইতিবাচক। নরেন্দ্র মোদির জন্য বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রচার এবং বিজ্ঞাপনের জন্য তাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছিল।
প্রশান্ত কিশোরের কাজের একটি ধারা হচ্ছে, তিনি কোনো দলের প্রচার বা ক্যাম্পেইনে খুব সুন্দর সুন্দর শ্লোগান যুক্ত করেন। ‘হর হর মোদি, ঘর ঘর মোদি’, ‘চায়ে পে চর্চা’, ‘আব কি বার ৪০০ পার’ ও ‘রান ফর ইউনিটি’ টাইপ নানা শ্লোগান সহকারে প্রচারাভিযান পরিচালনা করেছেন ভারতের রাজনীতিতে। আর একটি কাজ তিনি করেন, সেটা হচ্ছে বিভিন্ন রাজ্য এবং এলাকার স্থানীয় জনগোষ্টির মনের ভাব বুঝে একটি আনকমন থিম দাড় করান এবং ওই থিমের উপরে ক্রমাগত চাপ দিতে থাকেন, ফলে ওই থিম সবার মুখে মুখে ঘুরতে থাকে নয়তো বহু মানুষের মনে বসে যায়।
রাজনৈতিক কৌশলী থেকে সমাজকর্মী হবার পরে প্রশান্ত কিশোর সাম্প্রতিক সময়ে নিজেই একটি রাজনৈতিক দল খুলেছেন। তার রাজনৈতিক দলের নাম ‘জন সুরজ পার্টি’, দলের লোগোতে ব্যবহার করেছেন গান্ধীজির ছবি। তার দলের জন্য তিনি প্রথমেই প্রবর্তন করেছেন, ‘জয় বিহার’ শ্লোগান। বিহারীদের সন্মান ফেরাতে তিনি জয় বিহার স্লোগান তুলতে বলেছেন, যাতে করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে এই বার্তা পৌঁছে যায় যেখানে রাজ্যের মানুষকে ‘বিহারী’ বলে গালিগালাজ করা হয় এবং মারধর করা হয়। দলগঠনের আগে তিনি বিহার রাজ্যে হাজার হাজার মানুষের মধ্যে কিছু প্রচার অভিযান চালিয়ে তাদের সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করেছেন।

প্রশান্ত কিশোরের দল ‘নির্বাচনে জিতলে ১ ঘণ্টার মধ্যে মদের উপরে নিষেধাঞ্জা তুলে দেবে’ বলে ঘোষণাও দিয়েছে, যা বিহার রাজ্যের লাখো সুরাপ্রেমী মানুষের মধ্যে আলোড়ন ফেলেছে। চাহিদা বুঝে এধরণের ছোট কিন্তু জনগণের মনে আলোড়ন তোলে এমন থিম/শ্লোগান আন্দোলনে নয়তো নির্বাচনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে নানা রাজনৈতিক কৌশলী বা ‘মাস্টার মাইন্ড’ বলে খ্যাত মানুষেরা ঠিক করে থাকেন, আর তা বাস্তবায়ন করে থাকেন দলের লাখো কর্মী নয়তো সাধারণ মানুষ।
প্রশান্ত কিশোরের কাজের স্টাইল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বোঝার কিছু ভাল দেশীয় উদাহরণ (দেশীয় মাস্টার মাইন্ডরা করেছেন) হচ্ছে, জুলাই আন্দোলনে ব্যবহ্নত ‘ব্লকেড’, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ‘রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোস’, নয়তো ৫ আগস্টের আগের ‘গ্রাফিতিতে প্রতিবাদ’ টাইপ শ্লোগান/শব্দ নয়তো ইভেন্ট। কোনো আন্দোলন বা ইভেন্টে এই টাইপ শব্দ আর থিম সহজেই মানুষকে আকৃষ্ট করে বিষয়ের দিকে টেনে নিতে ও যুক্ত হতে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন আন্দোলনে সফল হতে এবং নির্বাচনে জয়লাভ করতে বহু ‘মাস্টার মাইন্ড’ ও তাদের কাজের বহু তথ্য ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে।
(বিভিন্ন বিদেশী তথ্যসূত্র ও ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যে সংকলিত)
(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)








