বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের লড়াইয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচে সহিংসতার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বলেছেন, ‘ফুটবলে সহিংসতার কোনো স্থান নেই।’
এস্তাদিও মারাকানায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হওয়ার আগে দুদলের সমর্থকদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এই সময় ব্রাজিলের পুলিশের আক্রমনেরও শিকার হয় সফরকারী আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা। এক পর্যায়ে মেসি পুরো দল নিয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে যান। পরে পরিস্থিতি ঠান্ডা হয়ে ম্যাচ গড়া। ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরেছে ব্রাজিল।
মারাকানার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে লিখেছেন, ‘মাঠে বা মাঠের বাইরে ফুটবলের ক্ষেত্রে এই ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান নেই। খেলোয়াড়, ভক্ত, দল এবং কর্মকর্তারা একটি নিরাপদ পরিবেশের দাবিদার।’
এ ঘটনায় ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন মেসি। বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি পুলিশ কিভাবে মানুষকে মারছে। আমাদের পরিবারের কিছু সদস্যও সেখানে উপস্থিত ছিল। কোপা লিবার্তাদোরেসের ফাইনালেও ব্রাজিলের পুলিশ একই কাজ করেছিল। মাঠের খেলার চেয়ে এসবেই তাদের বেশি মনোযোগ থাকে।’
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের বিপক্ষে জয়টিকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করার পাশাপাশি আর্জেন্টিনাকে দমন করার অভিযোগও তোলেন মেসি। বললেন, ‘আজ রাতে আমরা ইতিহাস তৈরি করেছি। তবে এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, যা ঘটেছে সেটি আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ব্রাজিলিয়ানদের দমন হিসেবে চিহ্নিত হবে। এটা মেনে নেয়া যায় না। এমন আচরণ পাগলামি। মারামারি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিৎ ছিল।’
এরপর বুধবার সন্ধ্যায় সহিংসতার ঘটনায় বিবৃতি দেয় ব্রাজিলের ফুটবল কনফেডারেশন। জানায়, ‘এটা স্পষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ যে, ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন এ ম্যাচের আয়োজনে জনগুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বিশেষ করে রিও ডি জেনিরো রাজ্যের মিলিটারি পুলিশের সাথে পরিকল্পনা করে সতর্কতার সাথে এগোচ্ছিল।’
‘ম্যাচের জন্য সকল পরিকল্পনা বিশেষ করে নিরাপত্তার বিষয়টি রিও ডি জেনিরোর গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সবার সাথে আলোচনা করে নেয়া হয়েছিল। সিবিএফ আরও নিশ্চিত করেছে, ম্যাচের সময়ের কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা এবং পরিকল্পনা রিও’র মিলিটারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা অনুমোদিত, সেটাই কঠোরভাবে পালন করা হয়েছে।’








