কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অনেকেই হারিয়েছেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে। আবার কেউ হারিয়েছেন একমাত্র ভাই। এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জে ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের উত্তরপাড়ার চৌদ্দ বছরের রাব্বি। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে দুই বছর ৬ মাস ধরে ঢাকায় বাদাম বিক্রি করে সংসারের খরচ এবং একমাত্র বোনের হাত খরচের জন্য টাকা পাঠাত। এই বয়সে সংসারের দায়িত্ব পালন করছিলেন রাব্বি । কিন্তু ভৈরবে ট্রেন দুর্ঘটনা কেড়ে নিল রাব্বির জীবন। একমাত্র ভাই রাব্বিকে হারিয়ে দিশেহারা পিংকি। চেয়েছেন সরকারী সহায়তা।
এছাড়া সোমবার রাত পৌনে ১০ টায় সৌদি প্রবাসী সাদ্দাম হোসেনের ফ্লাইট। বড় ভাই সাদ্দামকে বিমানে তুলে দিতে এগারসিন্দুর গোধুলী ট্রেনে ঢাকায় যাচ্ছিলেন ছোট ভাই আফজাল হোসেন (২৪)। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ঢাকা কলেজ স্নাতক শেষ করা আফজাল। আহত হয়েছেন বড় ভাই সাদ্দাম। এ দুর্ঘটনায় এক পরিবারের চারজনসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া শতাধিক আহত হয়েছেন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা করা হবে। ভয়াবহ এমন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি নিহতদের পরিবারের ।







