টানা দুই দিনের বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরের পর থেকে খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার বাস টার্মিনাল, শব্দমিয়া পাড়া, গঞ্জপাড়া, অপর্ণা চৌধুরী পাড়া, ফুটবিলসহ কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।
এছাড়াও বাসাবাড়িতে প্রবেশ করেছে বন্যার পানি। বিশেষ করে শব্দ মিয়া পাড়া, মেহেদী বাগ এলাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে অধিকাংশ ঘরবাড়ি। আকস্মিক এই বন্যায় দুরবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই জানান, হঠাৎ করে পানি বেড়ে যাওয়ায় ঘর থেকে বের করতে পারেননি জিনিসপত্র। টিভি ফ্রিজসহ অনেক আসবাবপত্র পানিতে তলিয়ে আছে। স্রোতে ছোটখাটো অনেক জিনিস ভেসে গেছে।
টানা দুই দিনের বৃষ্টিপাতে জেলা সদরের দুই-একটি জায়াগায় পাহাড় ধস হলেও বড় ধরনের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। জেলা সদরের কলাবাগান এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনারের বাসভবনের সীমানা প্রাচীর ধসে পড়েছে।
জেলা সদরের কলাবাগান, শালবাগান, রসুলপুর এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। মূলত: পাহাড় কেটে যেসব ঘরবাড়ি তোলা হয়েছে, সেসব স্থানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেশি।
খাগড়াছড়ি পৌরসভার হিসেব মতে, পৌর এলাকায় অন্তত ২০০ পরিবার পাহাড় ধসের ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে।
খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, বন্যার্তদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার কাজ চলছে। এছাড়াও জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয়রা।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সহকারি পরিচালক আব্দুর রহিম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে।








