ফরাসিদের ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন বেঞ্জামিন মেন্ডি। খেলছিলেন প্রিমিয়ার লিগে, ম্যানচেস্টার সিটিকম। দলটির অপরিহার্য অংশ হয়ে ঠেকিয়েছেন প্রতিপক্ষের বহু আক্রমণ। সামলাতে পারেননি শুধু নিজেকে। বিতর্কিত কাণ্ডে বাদ পড়েছেন সিটি থেকে। অভিযোগ উঠেছে সাত নারীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন করেছেন ২৮ বর্ষী। বুধবার বিচারের মুখোমুখি করা হবে তাকে। দোষী প্রমাণিত হলে শেষ হয়ে যেতে পারে ক্যারিয়ারই।
২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে গত বছরের আগস্ট, এসময় উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের ম্যাকলফিল্ডের কাছে প্রেস্টবারিতে নিজ বাড়িতে একের পর এক ধর্ষণ সংঘটিত করেছেন মেন্ডি। আগেও ১০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। পরে মে মাসে যার ৯টিতে মেন্ডিকে দোষী সাব্যস্ত করেনি আদালত। এ সময় তাকে কঠোর শর্তাবলী সাপেক্ষে পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে জামিন দেন আদালত।
তবে নতুন করে আরও সাত নারী আটটি ধর্ষণ, একটি যৌন নিপীড়ন ও একটি ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুললে বিচারের মুখোমুখি হতেই হচ্ছে তাকে। একই কাজের জন্য আদলতে হাজির হতে বলা হয়েছে আরেক ফরাসি সাবেক ফুটবলার আবাদী লুই সাহা ম্যাটুরিকে। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ গুরুতর। ২০১২ সালের জুলাই থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত আট তরুণীকে ধর্ষণ ও চারজনকে যৌন নির্যাতন করেছেন ম্যাটুরি।
গত আগস্টে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারের পর প্রথমে লিভারপুলের অল্টকোর্স কারাগারে এবং পরে ম্যানচেস্টারের একটি কারাগারে রাখা হয়েছিল মেন্ডিকে। পরে ম্যানসিটির স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ে যান ৭৫ ম্যাচে মাঠে নামা তারকা। ‘কঠোর’ শর্তাবলী সাপেক্ষে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।
লাঞ্ছিত নারীদের নাম প্রকাশ করেননি আদালত। দেশটির আইনে অভিযুক্তের নাম প্রকাশ না করার কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। মামলার ট্রায়াল আগামী ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে মেন্ডির উপর আসতে পারে আরও কঠোর বিধিনিষেধ ও সাজার রায়।







