দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও বাজারে সংকট কাটছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমস্যা মূলত সরবরাহের অভাব নয়, বরং ব্যবস্থাপনা ঘাটতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে ভোগান্তি দীর্ঘ হচ্ছে।
শেখেরটেকের বাসিন্দা মোনতাসির আহমেদ সকাল থেকে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরেছেন। শেষ পর্যন্ত এসেছেন আসাদ গেটের সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে। সেখানে দুই ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তবে আরও কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে তা অনিশ্চিত।
বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণ সম্পূর্ণরূপে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বিশ্লেষকরা বলেন, এই ব্যবস্থায় সমন্বয়ের অভাব, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে মজুদের থাকা সত্ত্বেও জনগণ তেলের জন্য ভোগান্তি ভোগ করছে।
এই বিষয়ে এনার্জি এন্ড পাওয়ারের সম্পাদক মোল্লা এম আমজাদ হোসেন বলেন, তথ্যগুলোতেও অসামঞ্জস্য আছে। সরকার বলছে মজুদ আছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে সেই বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধুমাত্র তেল আমদানি বাড়ানো যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সরবরাহ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, স্বচ্ছতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের। এর মাধ্যমে তেল সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।







