গত বছরের মে মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যেতে না পারা কর্মীদের নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। কনস্ট্রাকশন ও ট্যুরিজম খাতে এসব কর্মীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। ১ আগস্ট মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। খবরটি বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের; বিশেষ করে যেসব কর্মী জনশক্তি এজেন্সিকে লাখ লাখ টাকা দিয়েও ভিসা জটিলতার কারণে যেতে পারেননি।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বছরের ৩১ মের মধ্যে যাঁরা মালয়েশিয়ায় আসতে পারেননি, তাঁদের মধ্য থেকে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের জন্য মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়া সরকার নির্মাণ ও পর্যটন খাতে এসব কর্মীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বেশ কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। যেমন পর্যটন খাতের কর্মীদের মালয়েশিয়ায় যাওয়ার চাহিদাপত্র সত্যায়নের জন্য সংযুক্ত চেকলিস্ট অনুযায়ী সব তথ্য দেশটির ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অনলাইন পোর্টালে দাখিল করতে হবে। আর নির্মাণ খাতের কর্মীদের সব আবেদন দেশটির কনস্ট্রাকশন লেবার এক্সচেঞ্জ সেন্টার বেরহাদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য এফডব্লিউসিএমএসের পোর্টালে দাখিল করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত বছর সব প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত ছাড়পত্র নিয়েও মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি ১৬ হাজার ৯৭০ কর্মী। তাঁদের একাংশ উড়োজাহাজের টিকিট সংগ্রহ করতে পারেননি। আরেকটি অংশ মালয়েশিয়া থেকে নিয়োগকর্তার চূড়ান্ত সম্মতি পাননি। মালয়েশিয়ায় ৯ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন, যা সেখানকার একক বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে সেখানে যেসব শ্রমিক যান, তাঁদের একাংশ প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি পান না, অনেকে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হন। বিষয়টি জাতিসংঘেরও নজরে এসেছে। ভবিষ্যতে এ রকম পরিস্থিতি যাতে না হয়, সে জন্য দুই দেশকেই একযোগে কাজ করতে হবে।








