দেশে একের পর এক যখন সিনেমা হল বন্ধের খবর আসছে, তখন জানা গেল দারুণ সুসংবাদ। উত্তরবঙ্গের বগুড়ার পৌরসভা এলাকায় অত্যাধুনিক সাজসজ্জা ও সুবিধা সংবলিত ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’টি শুক্রবার ১৫ অক্টোবর থেকে চালু হতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর বিকেলে এর পরিচালক রোকনুজ্জামান ইউনূস চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার থেকে চালু হচ্ছে ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’। জিতের ‘বাজি’ সিনেমার মাধ্যমে মধুবন সিনেপ্লেক্স উদ্বোধন করা হবে। মানসম্মত দেশী সিনেমা না থাকায় আমদানিকৃত সিনেমা দিয়ে মধুবন খুলছে। এখানে হলিউডের সিনেমাও চালানো হবে।
২০১৯ সালের ঈদে চালুর কথা ছিল মধুবন সিনেপ্লেক্সের। ওই বছর আর কাজ শেষ হয়নি। পরে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় মধুবনের নির্মাণ বন্ধ হয়ে যায়। করোনা ধকল কাটিয়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে আগামী শুক্রবার থেকে পর্দা উঠছে মধুবনের।
পরিচালক বলেন, নিজস্ব মেশিনে ৩৩৬টি আসন থাকছে মধুবন সিনেপ্লেক্সে। টিকেট মূল্য থাকছে ১০০, ২০০ ও ৩০০ টাকা তিন ক্যাটাগরিতে। শিগগির চালু হবে ই-টিকেটিং। শুরুতে একটি স্ক্রিন নিয়ে যাত্রা শুরু করছে। পরবর্তীকালে স্ক্রিন বৃদ্ধির ইচ্ছে আছে।নিচতলায় থাকছে ফুডকোর্ট এবং উপর তলায় আধুনিক সিনে থিয়েটার। আর বাইরে রয়েছে যানবাহন পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা।
পরিচালক রোকনুজ্জামান ইউনূস জানান, ১৯৬৯ সালে ‘মধুবন সিনেমা হল’-এর ভিত্তি স্থাপন হলেও দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৪ সালে চালু হয় মধুবন সিনেমা হল। ৮০-৯০ এর দশকে সিনেমার রমরমা ব্যবসা হতো। তবে ধীরে ধীরে মানুষ হল বিমুখ হয়। সর্বশেষ ‘ঢাকা অ্যাটাক’ প্রদর্শনের পর মধুবন সিনেমা হলটি আধুনিকভাবে সংস্কারের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।

শাকিবের ‘লাভ ম্যারেজ’র পরে ‘আয়নাবাজি’র সময় নোংরা পরিবেশ, ভাঙা চেয়ার, গরমের মধ্যেও দর্শক এসেছিল। ‘শিকারী’, ‘নবাব’র পর ‘ঢাকা অ্যাটাক’ দেখতে দর্শক হলে এসেছিল। তখনই ঠিক করেছিলাম আধুনিক সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করবো। আমি আমার কথা রেখেছি।









