লিগ শিরোপা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি, পুসকাস অ্যাওয়ার্ড ও দুবার আফ্রিকান সেরা ফুটবলারের পুরস্কার, কি নেই তার ঝুলিতে। কিন্তু সব তো ঐ ক্লাব জার্সিতে! জাতীয় দল মিশরের হয়ে কি করেছেন মোহাম্মেদ সালাহ? সেই প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ফুটবলার ও মিশরীয় কোচ হাসান শেহাতা।
২০০৬ থেকে ২০১০, টানা তিন মৌসুম মিশরকে আফ্রিকান কাপ অব নেশনস শিরোপা জিতিয়েছেন শেহাতা। পরে ২০১৪-১৫ মৌসুমে করিয়েছেন কোচিং, জিতেছেন সিএএফের বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার। সালাহকে নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা তিনি ভালোভাবেই রাখেন। রাখঢাক না রেখে তাই বলেই ফেললেন, মিশরের জন্য কিছুই করেননি লিভারপুল তারকা।
‘আমি দুঃখিত যে এটা আমাকে বলতে হচ্ছে, মোহাম্মেদ সালাহ জাতীয় দলের হয়ে কিছুই করেননি। এরচেয়ে অনেক ভালো করা উচিত ছিল তার। যখন দেশের হয়ে খেলবে, তখন তাকে আরও বেশিকিছু দিতে হবে। তার কর্মকর্তাদের বলা উচিত ছিল এখানকার খেলোয়াড়রা ইংল্যান্ডের মতো নয়। সালাহকে বাড়তি জায়গা দিতে পথ খুঁজতে হবে কোচদের। আমাদের অবশ্যই এমন খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে হবে যারা তাকে মাঠে সঠিকভাবে উপস্থিত হতে সাহায্য করবে।’
লিভারপুলের অন্যতম আকর্ষণ সালাহ জাতীয় পোশাকে বিবর্ণ। এপর্যন্ত দলকে একটা ট্রফিও এনে দিতে পারেননি ৩০ বর্ষী তারকা। সাফল্য কেবল ২০১৭ এবং সবশেষ ২০২১ সালে মিশরকে আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের ফাইনাল খেলানো। দু’বারই হেরেছে তার দল। আসছে কাতার বিশ্বকাপেও জায়গা হয়নি মিশরের।
ক্যারিয়ারে তার অন্যতম সাফল্য, ১৯৯০ সালের পর ২০১৮ বিশ্বকাপ মঞ্চে মিশরকে নিয়ে গিয়েছিলেন সালাহ। সেবার বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ ৫ গোল ও বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে বাদ পড়ার আগে দুই গোল করেছিলেন। দেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল সংগ্রাহক তিনি। ৮৫ ম্যাচে ৪৭ গোল নামের পাশে। ১৭৫ ম্যাচে ৬৮ গোল নিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ গোলদাতা হোসাম হাসান।







