কানাডার টরন্টো মাতালো দেশের প্রখ্যাত ব্যান্ড শিরোনামহীন। সম্প্রতি টরন্টোর মঞ্চে হাজির হয়ে উপহার দিল এক মুগ্ধকর লাইভ পারফরম্যান্স, যা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দর্শকদের আবিষ্ট করে রাখে!
কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এই কনসার্টটি ছিল এক স্মরণীয় আয়োজন! রক ও ক্লাসিক সংগীতের অনন্য মিশেলে শিরোনামহীন এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করে, যা প্রজন্ম ও ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে সবাইকে এক সুতোয় গেঁথে দেয়!
স্থানীয় আয়োজক মিক্সটেপ -এর পক্ষ থেকে সাইফুল আজিম মোহিম বলেন,“আমরা প্রবাসীরা সত্যিই আনন্দিত হই, যখন শিরোনামহীনের মতো জনপ্রিয় কোনো ব্যান্ড আমাদের মাঝে আসে ও গান শোনায়। এটা খুব ঘন ঘন ঘটে না। সেই কয়েক ঘণ্টা আমাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
শিরোনামহীন তাদের পরিবেশনা শুরু করে প্রথম অ্যালবামের টাইটেল গান ‘জাহাজী’ দিয়ে। মুহূর্তেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো হলে।
বিশেষ চমক হিসেবে ব্যান্ডের ড্রামার ও সংগীত পরিচালক কাজি আহমেদ শাফিন বাজান সরোদ— যা টরন্টোর দর্শকদের সামনে এক অনন্য সাংস্কৃতিক উপহার হয়ে ধরা দেয়। ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের এই সুরে ভরে ওঠে পুরো প্রেক্ষাগৃহ, যেন সময় থেমে যায় সংগীতের ঘোরে।
আরও এক বিশেষ মুহূর্তে, ব্যান্ডটি পরিচয় করিয়ে দেয় তরুণ সংগীতশিল্পী ‘নিশর্গ’-কে। যিনি টরন্টো প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির এক নবীন ড্রামার। তাঁর অংশগ্রহণ প্রবাসী তরুণদের সংগীতের সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।
পুরো সন্ধ্যায় শিরোনামহীন পরিবেশন করে ১৬টি গান, প্রতিটি গানেই দর্শকরা ছুঁয়ে যান করতালিতে ও আবেগে। গানের ভেতর দিয়ে তারা ফুটিয়ে তোলে তাদের গল্প, দর্শন ও শিল্পসত্তার গভীরতা।
ব্যান্ডটি ৪ নভেম্বর কানাডা ত্যাগ করে। বাংলাদেশে তাদের ব্যস্ত পারফরম্যান্স সূচির কারণে কানাডায় অতিরিক্ত শো করা সম্ভব হয়নি বলে জানান ‘শিরোনামহীন’ এর দলনেতা জিয়াউর রহমান জিয়া। নতুন কিছু অনুষ্ঠানের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তারা, পূর্ব নির্ধারিত সূচির কারণে তা গ্রহণ করা যায়নি।







