গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত হন ১০ বছর বয়সী রাশা আল-আরির। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তাকে খুঁজে পায়। এ সময় রাশা আল-আরির একটি চিঠি উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা।
মুসলিম নিউজের ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট থেকে দেয়া এক পোস্টে জানানো হয়েছে, হামলায় মৃত্যুবরণ করার আগে রাশা আল-আরির চিঠিতে জানান, যদি সে মৃত্যবরণ করে তাহলে যেন তার সকল খেলনা, জামাকাপড়, মাসিক ভাতা অন্যদের দিয়ে দেয়া হয়।
রাশা আল-আরির চিঠিতে লিখেছেন, অনুগ্রহ করে আমার জন্য কাঁদবেন না, কারণ এতে আমি কষ্ট পাব। আমি আশা করি আমার জামাকাপড় অভাবীদের কাছে যাবে এবং আমার জিনিসপত্র যেন রাহাফ মারওয়ান আল-আরির, সারাহ,
লীনা আল-জাহারনা, জুডি, লানা রাগব এবং বাতুল আল-আরিরকে দিয়ে দেয়া হয়। পুঁতির বাক্সগুলোও পাবে আহমেদ এবং রাহাফ মারওয়ান। আমার মাসিক হাতখরচের অর্ধেক পাবে রাহাফ এবং বাকি অর্ধেক পাবে আহমেদ। নোটবুক এবং পেন্সিল পাবে রাহাফ এবং আমার খেলনা পাবে বাতউল।
চিঠিতে রাশা আল-আরির আরও লিখেছেন, দয়া করে আমার ভাই আহমদকে কেউ ধমক দিবেন না এবং আমি সবাইকে আমার এই ইচ্ছাগুলো পূরণের অনুরোধ জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪১ হাজার ৬৮৯ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন ৯৬ হাজার ৬২৫ জন। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।







