চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

রাজনীতি হোক জনগণের জন্য

মোহাম্মদ আরিফমোহাম্মদ আরিফ
১০:২৪ অপরাহ্ন ১০, আগস্ট ২০২৪
মতামত
A A

সদ্য ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ লাভের পর থেকে গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখোমুখি। দেশব্যাপী হত্যা, লুটতরাজ, ডাকাতি চলছে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। ভাস্কর্যগুলো নির্বিচারে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের আবক্ষ ভাষ্কর্যটি  ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। শাপলা চত্বরকে এরই মধ্যে ‘শহীদ চত্বর’ হিসেবে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। অনেকে শুরু করে দিয়েছে চাঁদাবাজি যদিও ছাত্ররা এসব প্রতিরোধে চেষ্টা করছে সাধ্যমত।  

গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদভবন থেকে শুরু করে থানা ও সরকারি বেসরকারি স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে নির্বিচারে। দেশের কয়েকটি টিভি চ্যানেলেও হামলা-ভাঙচুর হয়েছে। থানা হতে অস্ত্র, গোলাবারুদ লুট করে নেওয়া এবং পুলিশকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার দৃশ্যও ভাসমান সোশ্যাল মিডিয়ায়। কারাগার ভেঙে পালিয়ে গেছে আসামীরা। ঢাকায় মহল্লায় মহল্লায় ডাকাতির কারণে জনমনে আতংক। মোটকথা নৈরাজ্য ও বিশৃংঙ্খলা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

১৯৭২ সালে এমন দৃশ্য দেখেছিলাম। তখন সদ্য স্বাধীন দেশে শুরু হলো নৈরাজ্য ঠিক এখনকার মতই। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই তখনও অস্ত্র জমা দেননি। সাধারণদের অনেকে ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করতে গিয়ে খুন, ডাকাতি, লুটতরাজে মেতে উঠেছিল। মনে পড়ে, একেকটি রাত ভয়াবহ অনিশ্চয়তায় কেটেছে-এই বুঝি ডাকাত এলো। রাতের নিস্তব্দতা ভেঙ্গে ভেসে আসত শোরগোল ‘ডাকাত পড়ছে, ডাকাত পড়ছে’ বলে। বাড়ির বয়জ্যেষ্ঠরা লাঠিসোটা নিয়ে দৌড়ে যেতেন। কখনও কখনও  ‘খুন’, ‘খুন’ বলেও চিৎকার শোনা যেত। সকালে দেখতাম মস্তিস্ক বিচ্ছিন্ন নিথর দেহ পড়ে আছে। তখন এরকম আতংকে কেটেছে প্রতিটা ক্ষণ। রাতজেগে পাহারা দিতেন এলাকাবাসীরা। ঠিক আজকেও তেমনটি লক্ষ্য করা যায়। গত কয়েক দিন অন্তত এমনটাই দেখছি।

২. প্রশ্ন হলো, বর্তমান সময়ে এমন কেন হবে? ১৯৭২ আর ২০২৪-এর বাস্তবতা যদি এক হয় তাহলে ভাবতে হবে আমরা যেই তিমিরে ছিলাম, সেই তিমিরেই আছি। ৫ আগস্ট সোমবার ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রদের নেতৃত্বে এক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসকের অবসান হয়েছে। কিন্তু তার অব্যবহিত পর যে ঘটনাবলী দেখতে পাচ্ছি তা সাধারণ জনগণের জন্য অপ্রত্যাশিত।

আমরা জানি, সাম্প্রতিক নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ব্যাংকগুলো লুটেরাদের কবলে পড়ে নিঃস্ব, সর্বশান্ত। দুর্নীতির রাহুগ্রাসে কবলিত রাষ্ট্রের সকল সংঘ। বিপর্যস্ত বিচারব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছে আস্থার সংকট। অদ্ভুত এক বিচারহীনতার সংস্কৃতি শেকড় গেড়ে বসেছে সমাজ, রাষ্ট্রে। অর্থপাচার, দুর্নীতি, দখল, সিন্ডিকেট, গুম, খুন, নৈরাজ্য, বৈষম্য ও  বিচারহীনতায় জনমনে ক্ষোভ থেকে জন্ম নিয়েছে ঘৃণা ও জিঘাংসার। রাষ্ট্রসংঘ ক্রমাগত অত্যাচারী হয়ে উঠেছে। বল প্রয়োগ হয়ে উঠেছে রাষ্ট্রনীতি, যা জনআকাঙ্খার বিপরীত।

শুধু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই নয়, বিগত সকল সরকার বল প্রয়োগ ও স্বেচ্ছাচারিতার নীতি অবলম্বন করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে তথা ১৯৭২ সালের সরকার হতে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার প্রমাণ  বঙ্গবন্ধুর নানা বক্তব্যের মধ্যে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর হতেই বিচারহীনতা, চোরাকারবারীর উত্থান, লুটেরা, সিন্ডিকেট, খুন, গুম, ধর্ষণ, অত্যাচার ও নীপিড়নে আক্রান্ত এই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল। এখানে শাসকবর্গ সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুধুই প্রতারণা করেছে। তারা মুখে গণতন্ত্র ও সাম্যের কথা বললেও ক্ষমতা চর্চা করেছেন স্বৈরতান্ত্রিক। মানবাধিকার কাগজে আছে, বাস্তবে নেই।  বাক স্বাধীনতা দুশো বছর আগেই বন্ধ হয়ে গেছে কিংবা কোনোকালে ছিল বলেই মনে হয় না এ মাটিতে। মুক্তচিন্তার চর্চা কোনো সরকারই করতে দেয়নি। গণতন্ত্র মৃত ! প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় গিয়ে হয়ে উঠেছেন একেকটা দানব। তারা দমন-পীড়ন নীতি গ্রহণ করেছেন। প্রতিহিংসা আর পীড়ন হয়ে উঠেছে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। এখানে সত্য উচ্চারণ অত্যন্ত সাহসের ব্যাপার। শাসকবর্গের স্বার্থের বিপরীতে কেউ কোনো কথা বলতে পারবে না। সাধারণকে দমনের জন্য তৈরি করা হয়েছে নানা আইন-কানুন, নানা বাহিনী। ইতিহাসের অত্যাচারী রাজা-বাদশাহদের মতো এরা গড়ে তুলেছে নির্যাতনের গোপন কুঠুরি, টর্চার সেল। রাষ্ট্র মিথ্যাচার, অত্যাচার করে জনগণকে সুখি রাখতে চায়।

Reneta

৩. স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবত রাজনীতিবিদদের মুখে ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা’, ‘ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা’, ‘অর্থনৈতিক মুক্তি’, ‘অসাম্প্রদায়িকতা’, ‘ন্যায় বিচার’, ‘বৈষম্য ও শোষণমুক্ত’ সমাজ গঠনের কথা সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে। এইসকল শব্দবন্ধ ব্যবহার করে রাজনীতিবিদগণ সাধারণ জনগণকে বার বার প্রতারিত করেছেন। বিগত তিপ্পান্ন বছরে প্রতিটি সরকার এই শব্দগুলো নাটকীয় ভঙ্গিতে উচ্চারণ করে মাঠ গরম করেছেন। জনগণ এদের কথায় বিগলিত হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে নেমে বুকের খুন ঢেলে দিয়েছে।  শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে নয়, যদি বৃটিশ শাসন আমল থেকেও হিসাব করা হয়, তাহলে দেখা যাবে নেতাদের কথায় সাধারণ জনগণ আত্মবলিদানে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সাধারণ মানুষ নির্যাতিত, নিপীড়িত হয়ে মৃত্যুকে হাসিমুখে বরণ করেছে। কিন্তু সাধারণের মুক্তি আজও ঘটেনি। অথচ প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে বেনিফিশিয়ারি হয়েছেন কারা, তা সবাই জানেন। রাজনীতিবিদগণ জ্বালাময়ী বক্তব্য প্রদান করে, জনগণকে স্বপ্ন দেখিয়ে মূলত তাদের স্বার্থ হাসিল করেন-এ দৃশ্যই এ যাবৎকাল এই বাঙলায় দেখা গেছে। এদেশের সাধারণ মানুষ অনাদিকাল হতে প্রতারিত হয়ে আসছেন নেতাদের দ্বারা, প্রভুদের দ্বারা। নেতাদের স্বপ্নবিলাসী বক্তব্য শুনে  বিশ্বাস করেছে এদেশের সাধারণ জনগণ। নেতার মধুর আচরণে মুগ্ধ হয়েছে বাঙলার সহজিয়া কৃষক, শ্রমিক, মজুর, ছাত্র, আম-জনতা! তারা বিগলিত হয়ে যে নেতার হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন সেই নেতাই ক্ষমতায় গিয়ে হয়েছেন জনবিচ্ছিন্ন। বিলাসী জীবন আর প্রোটোকল ভেঙে জনতার কাতারে মিশতে পারেননি কখনো। জানতে চাইতেন না জনগণের সমস্যার কথা। বুঝতে পারতেন না জনগণের ভাষা। এই নেতারা ক্ষমতায় গিয়ে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে যান। তারা মনেই করতে পারেন না জনগণের কাছে কি বলে ক্ষমতার মসনদে এসেছেন। ক্ষমতার কুরসীতে আসীন হওয়া মাত্রই নেতার চরিত্রে আসতে থাকে পরিবর্তন। যার মধ্যে জনবিচ্ছিন্নতা অন্যতম।

৪. বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর হতে জনপ্রতিনিধিত্বেও এসেছে পরিবর্তন। স্বাধীনতার পরেও কিছু রাজনীতিবিদ দেখেছি, যারা তৃণমূলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। কিন্তু দিন যতই গড়িয়েছে, রাজনীতিবিদদের স্থানটি দখল করে নিয়েছে আমলা, ব্যবসায়ী, গুন্ডা-মাস্তানরা। নির্বাচন এলেই নতুন মুখের আবির্ভাব ঘটে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলে। জাতীয় নির্বাচন থেকে স্থানীয় সরকার অবধি একই চিত্র। দলের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক চর্চার পরিবর্তে অর্থ ও পেশিশক্তির চর্চাকে উৎসাহিত করা হয়। এই দৃশ্য বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলে। ক্ষমতা অপব্যবহার করে অর্থ আয়, ব্যবসা-বাণিজ্য ও  বিলাসবহুল জীবন গড়ে তোলা অর্থাৎ ‘আখের গোছানো’ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন রাজনীতিবিদগণ! ক্ষমতার পালাবদল হলে এরাই আবার মেতে ওঠেন জনতাকে নিয়ে। তখন জনতার বন্ধু হওয়ার অভিনয় মঞ্চে এদের হরহামেশাই দেখা যায়, যা স্বাধীনতার পর থেকে দেখতে পাচ্ছি, এখনও দেখছি।  এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো। এরা ক্ষমতায় থাকতে জনগণকে পিষ্ট করার, পদদলিত করার নীতি অসুরণ করেন, কিন্তু ক্ষমতার পালাবদল হলেই জনগণের নামে শুরু করেন আন্দোলন সংগ্রাম। মূলত এরা জনগণের রাজনীতির নামে আর যাই করেন না কেন, এতে জনগণের ভাগ্য খুব একটা বদলায়নি। বরং বলা যায়, জনগণ এদের কথায় বার বার প্রতারিত হয়েছে। এরা জনগণকে স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা করেছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকাংশ নেতা আপদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত। এরা নাকি জনগণের জন্য রাজনীতি করে! এটা একটা হাস্যকর উক্তি। তার একটি জ্বলন্ত উদাহরণ দিচ্ছি। সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দিকে দৃষ্টিপাত করা যাক। সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী প্রথমে কাঁদলেন দেশের স্থাপনা ভাংচুর দেখে এবং তারপর গেলেন আহতদের দেখতে! স্থাপনা তো জনগণের জন্য। যে জনগণ খুন হলো, আহত হলো, তার তুলনায় স্থাপনার মূল্য নিশ্চয়ই বেশি নয়।

ঠিক একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর কাল বিলম্ব না করে বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টিসহ আরো অনেক দলের নেতারা দৌড়ে গেলেন বঙ্গভবনে তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তি নিশ্চিত করতে। পরদিন জেলগেটে কারামুক্ত নেতাদের গলায় মালা পড়ানোয় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন । অতঃপর বিশাল শোডাউন করলেন পল্টনে। তাদের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাসপাতালে গেলেন আহতদের দেখতে। অথচ যারা হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন, তাদের এবং এ আন্দোলনে শহীদের রক্তের বিনিময়েই তাদের দলের বন্দী নেতারা মুক্ত হতে পেরেছেন, যা তারা দীর্ঘ ষোল বছরেও করতে পারেন নি, সেকথা বেমালুম ভুলে গেলেন। এটাই কী রাজনীতি! এই যদি হয় ‘জনগণের জন্য রাজনীতি’, তাহলে এমন রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে নতুন করে ভাববার সময় এসেছে।

৫. ইতোমধ্যে হয়তো লক্ষ্য করেছেন, যেদিন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ নেবে সে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে আম-জনতার প্রতিরোধে একজন রাজনৈতিক নেতাকে ফিরে আসতে হয়েছে। সদ্য ক্ষমতাচ্যুত নেতৃবৃন্দ গা ঢাকা দিয়েছেন। অপরদিকে ছাত্র-জনতা চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করতে শুরু করেছে। বাজারে জিনিসপত্রের দাম কমতে শুরু করেছে। ছাত্রদের মুখে রাষ্ট্র সংস্কারের কথা শোনা যাচ্ছে। যাবতীয় অন্যায়, অনাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে ওরা। রাজনীতিবিদদের জন্য এসব নতুন বার্তা।  বুঝতে হবে, নতুন দিনের সুর্য উঠেছে। তাই এখন থেকে রাজনীতি হোক জনগণের কল্যানের জন্য।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: দ্বিতীয় স্বাধীনতাপ্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনরাজনীতি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি সংগৃহীত

হাদির বোন পরিচয়ে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য, ‘ভুয়া’ দাবি পরিবারের

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

বিসিবির তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে অসন্তোষ জাহানারার

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

সাফে রানার্সআপ হয়ে দেশে ফিরেছে অনূর্ধ্ব-১৯ দল

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

নারীর ক্ষমতায়ণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন অসম্পূর্ণ: ডা. জুবাইদা রহমান

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিতে জাইমা রহমানের আহবান

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT