দিনের শেষ সেশনটা নিজেদের করে নিল আয়ারল্যান্ড। প্রথম ঘণ্টাতেই ৫ উইকেট তুলে বাংলাদেশকে থামিয়ে দিল ৩৬৯ রানে। লিড আরেকটু বড় করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে শেষ হল বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। লিড মিলেছে ১৫৫ রানের।
আয়ারল্যান্ডের ২১৪ রানের জবাবে একসময় ৪০ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকরা পায় বড় সংগ্রহের আশা। মি. ডিপেন্ডেবল আউট হওয়ার পর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে টেলএন্ডার। ৩৮ রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিক দল।
আইরিশ অফস্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনে নেন ৬ উইকেট। ২৮ ওভারে দেন ১১৮ রান। মার্ক অ্যাডায়ার ও বেন হোয়াইট নেন দুটি করে উইকেট।
শেষটায় মেহেদী হাসান মিরাজের (৫৫) প্রতিরোধ গড়া ফিফটি বাংলাদেশকে এনে দেয় দেড়শ পেরোনো লিড। ১৫৫ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের বোলিং শুরু করবে বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা বাকি ১৯ ওভার।
৫ উইকেট হাতে রেখে ১০২ রানের লিড নিয়ে চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। ১২৪ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক আর ২ রান যোগ করে ফেরেন সাজঘরে। ১৬৬ বলে ১২৬ রানের ইনিংস খেলার পথে মারেন ১৫টি চার ও একটি ছয়।
বিরতির আগে ৭ রানের জন্য ফিফটি পাননি লিটন দাস। ৪১ বলে ৮টি চারে ৪৩ রান করে বেন হোয়াইটের স্পিনে মিডঅফে সহজ ক্যাচ দেন ক্ল্যাসিক ব্যাটার। তার আগে সেঞ্চুরির সুযোগ হাতছাড়া করে ৮৭ রানে আউট হন সাকিব আল হাসান। মুশফিকের সঙ্গে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৫৯ রান যোগ করে বাংলাদেশকে দিয়ে যান চালকের আসনে।
মুশফিক সেঞ্চুরি পেলেও কাছে যেয়ে হেলায় সুযোগ হারান বাংলাদেশ অধিনায়ক। অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনের বলে নাগালের বাইরের অফস্পিনে সুইপ খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন। ৯৪ বলে ১৪ চারে ইনিংস সাজিয়ে থামেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার।
প্রথমদিনে আয়ারল্যান্ডের ২১৪ রানের জবাবে ২ উইকেটে ৩৪ রান তোলে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল আউট হওয়ার পর শেষ হয় প্রথমদিনের খেলা। দ্বিতীয় দিনের সকালে মার্ক অ্যাডায়ারের বলে বোল্ড হন মুমিনুল হক। তিনি ৩৪ বলে ১৭ রান করেন ৪টি চারের সাহায্যে।







