‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’র গায়ক খালিদের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৮ মার্চ) রাত ১১টায় রাজধানীর গ্রিন রোড জামে মসজিদে তার জানাজায় শিল্প, সংস্কৃতিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
এসময় খালিদের ভগ্নিপতি জানান, খালিদের মরদেহ রাতেই তার নিজ বাড়ি গোপালগঞ্জের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে মঙ্গলবার যোহর নামাজের পর শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণে হবে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা। তার দাফন হবে শহরের নয়া গোরস্থানে।
তিনি জানান, খালিদের স্ত্রী এবং ছেলে আমেরিকায়। তারা আসবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ধর্মীয় মত অনুসারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করাটাই শ্রেয়, সবার মতামত এমনটাই। তাই মঙ্গলবার দুপুরেই খালিদের দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গোপালগঞ্জে খালিদের বড় ভাই আছেন, তিনিই সব প্রস্তুত করছেন।
সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রশ্নে পরিবারের এই সদস্য জানান, খালিদ আমাকে বলতো যে মানুষ তাকে অনেক ভালোবাসে। আমরাও এটা টের পেতাম। আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের এই ভালোবাসা খালিদের জন্য চিরকাল থাকবে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন, এরচেয়ে ভালোবাসা আর কী হতে পারে!
সোমবার সন্ধ্যার পর গ্রিন রোডের বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন খালিদ। এরপর দ্রুত গ্রিন রোডের কমফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর সাড়ে ৭টায় খালিদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। জানানো হয়, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা গেছেন তিনি।
মৃত্যুকালে ‘চাইম’ ব্যান্ডের এই ভোকালের বয়স হয়েছিলো ৫৮ বছর। তার গাওয়া গানগুলোর মধ্যে ভীষণ জনপ্রিয়তা পায় সরলতার প্রতিমা, কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে, হয়নি যাবারও বেলা, যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে।







