মায়ের কবরে সমাহিত হলেন মেঘমল্লার খ্যাত নির্মাতা, চলচ্চিত্র আন্দোলন কর্মী, শিক্ষক জাহিদুর রহিম অঞ্জন।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরে সমাহিত হন তিনি, এসময় অঞ্জনের পরিবারের সদস্যসহ উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র কর্মী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বহু পরিচিত মানুষ।
এরআগে সোমবার ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হন অঞ্জন। বুধবার সন্ধ্যায় দেশে আসে তার মরদেহ। বিমান বন্দর থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ইস্কাটনে বোনের বাসায়৷ সেখানে গোসল শেষে এশার বাদ স্থানীয় মসজিদে হয় তার প্রথম নামাজে জানাজা।
বৃহস্পতিবার সকালে অঞ্জনকে নেয়া হয় সিদ্ধেশ্বরী স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে, যেখানে ফিল্ম বিভাগে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, শেষ শ্রদ্ধায় তাকে বিদায় দেন ছাত্র শিক্ষকরা।
এরপর মরদেহ নেয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে, এখানে বাদ যোহর তৃতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় অংশ নেন চলচ্চিত্র আন্দোলন কর্মী থেকে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
জানাজা শেষে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে। যেখানে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন সিনেমা ও সংস্কৃতি চর্চার বহু সংগঠনের সদস্যরা।
জাহিদুর রহিম অঞ্জন ২০১৪ সালে কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’ গল্প অবলম্বনে নিজের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মেঘমল্লার’ নির্মাণ করেন। এই চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর মনসমীক্ষামূলক উপন্যাস অবলম্বনে তাঁর পরবর্তী পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘চাঁদের অমাবস্যা’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।







